চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ৫ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মদনা হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে মাদ্রাসার অনুদানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বহিস্কার

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ৫, ২০১৬ ২:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

fg

দর্শনা অফিস: দামুড়হুদা উপজেলার মদনা গ্রামের হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার অনুদানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বহিস্কার করা হয়েছে। গত ২০১২ সালে ১লা ফেব্র“য়ারী কওমী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাওঃ শফিকুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ৪মাস আগে মদনা গ্রামের আজিজুল ইসলাম মদনা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ১হাজার টাকা এবং সৌদি প্রবাসী আক্তারুল ইসলাম ১০হাজার টাকা অনুদান দিলে শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ফান্ডে জমা না দিয়ে তার কাছে রাখার অপরাধে তাকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করা হয় বলে মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সময়ের সমীকরণকে জানান। এদিকে শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়মানুযায়ী যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ সাধারণ সম্পাদক হয়। সেখানে আমাকে সাধারণ সম্পাদক করা তো দুরের কথা আমাকে কোন দিন কমিটির সভায় ডাকেনি। কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর হলেও সভাপতি খোরশেদ আলম আজ অবধি কোন দিন মাদ্রাসার কোন সভায় উপস্থিত হয়নি। আমাকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করেছে এ ঘটনাও সভাপতি জানেন না। মাদ্রাসার ৩নং সহ-সভাপতি ইব্রাহিম বিশ্বাস উপস্থিত থেকে আমাকে বহিস্কার করেছে। আমার অপরাধ আমি গত ১বছর আগে সৌদি প্রবাসী আক্তারুল ইসলামের নিকট মদনা মাদ্রাসার জন্য অনুদান চেয়েছিলাম। সেখানে আক্তারুল ইসলামের বন্ধু জাকির হোসেনকে দিয়ে ১০হাজার টাকা দিয়ে ছিল। এসময় মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর আমাকে বলেন রসিদ বইয়ে ২০হাজার টাকার ¯¬ীপ করে দেন। এ বিষয় আমি ২০ হাজার টাকার রসিদ করতে বাঁধা দিলে তিনি বলেন, আমি ঠিক করে নেব আপনি লিখে দেন। এছাড়া গত ২২/১০/২০১৬ তারিখে মাদ্রাসার কমিটির নতুন কমিটি করা নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সমানে সাধারণ সভা নিয়ে হিসাব নিকাশে বসলে বাকি ১০হাজার টাকার হিসাব দিতে পারবে না বলে আমার উপর টাকা আত্মসাতের দোষ চপিয়ে সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর পার পওয়া জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এছাড়া ১হাজার টাকার বিষয়টি গত ২২ তারিখের সভার ৭দিন আগেই রসিদ করা আছে। আবু বক্কর মাদ্রাসার কমিটি সভায় শুধু মাত্র জামায়াত ইসলামের লোকজন নিয়ে সভা করেন। অন্যান্য দলের লোকজন থাকলেও তাদের ডাকা হয় না। প্রধান শিক্ষক আমাকেও কোন সভায় ডাকা হতো না। শফিকুল ইসলামের দাবী মাদ্রাসার কমিটির দুই একটি বাদে কোন সভায় আমাকে কেন রাখা হয়নি। সর্বশেষ আমাকে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়ে অন্যায়ভাবে বহিস্কার করা করেছেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।