চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ২০ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা ম. ইনামুল হক

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২০, ২০১৬ ৫:১২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা
ম. ইনামুল হক
f
চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান নদী মাথাভাঙ্গা। তবে গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা হিসেবে ভৈরব নদের গুরুত্ব ঐতিহাসিক। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় সকল নদীর উৎস ভৈরব নদ। এই ভৈরব নদ এখন ম”ত প্রায়। ভৈরব নদের আদি উৎস ভারতের গঙ্গা নদীর ডান তীর থেকে, মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলার প্রায় ৩০ কিলোমিটার পূর্বে আখেরীগঞ্জের (নছিপুর) কাছে। এরপর গঙ্গা নদীর ডানতীর থেকে শিয়ালমারী নদী উৎপন্ন হয়েছে যা’ ভৈরব নদে পতিত হয়েছে। ভৈরব দক্ষিণপূর্ব পথে এগিয়ে করিমপুরের কাছাকাছি এর বাম পাশে কুমার নদের শাখা জলঙ্গী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। ভৈরব এরপর দক্ষিণপূর্ব দিকে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। ভৈরব ছাড়া গঙ্গার আদি অন্য চারটি শাখা নদীর নাম, ভাগিরথী, কুমার, কালিগঙ্গা ও ভুবনেশ্বর। বর্তমানে ভাগিরথী বাদে অন্য নদীগুলি মৃত ও ছিন্ন বি”িছন্ন।
ভৈরব নদ অতীতে মেহেরপুর, দর্শনা, মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা, যশোর, নওয়াপাড়া, খুলনা, বাগেরহাট হয়ে সাগরে গিয়ে পড়ত। এর শাখা নদীগুলির নাম, চিত্রা, চূর্ণী, বেতনা, কপোতাক্ষ, মুক্তেশ্বরী ও পুশুর। মুর্শিদাবাদ এলাকায় ভাগিরথীর সাথে ভৈরবের একটি নৌ সংযোগ খাল ছিল। রেনেলের ১৭৭৬ সালের ম্যাপে জলঙ্গী নদীকে অত্যন্ত প্রতাপশালী হয়ে দক্ষিণপশ্চিম দিকে এই পথে ভাগিরথীতে পড়তে দেখা যায়। তখন ভৈরবের উৎস থেকে প্রবাহ নেই বললেই চলে। তবে জলঙ্গীর শাখা হিসেবে ভৈরব তখনও দক্ষিণ পূর্ব দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৮৬১ সালে বৃটিশ আমলে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে নির্মাণের সময় ভৈরবের উপর সেতু নির্মাণের জন্য নদীতে মাটি ভরাট করা হয়। এর আগেই ভৈরবের মূল ¯্রােত এর শাখানদী চূর্ণীর পথে প্রবাহিত হচ্ছিল। মাটি ভরাটের ফলে চূর্ণীর পথে প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে ভৈরবের ¯্রােত ক্রমশঃ বন্ধ হতে থাকে।
১৮৯৩ সালের মানচিত্রে দেখা যায় জলঙ্গীর প্রবাহ আগের চেয়ে দুর্বল হয়েছে ও জলঙ্গীর পূর্ব পাশ থেকে কুমার নদের পথে মাথাভাঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়ে ভৈরবের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। এরপর মাথাভাঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধি পায় ও জলঙ্গীর প্রবাহ কমতে থাকে। কিন্তু একই সাথে ভৈরবের আদি উৎসমুখটি নছিপুর থেকে পুনরায় জোরদার হয়ে জলঙ্গী নদীর পথে জলঙ্গী নামেই ভাগিরথীর দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। এখন জলঙ্গী নদী মূল উৎসমুখ ও ভাটিতে ভরাট হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছে, কিন্তু নছিপুর থেকে গঙ্গার শাখা হিসেবে মায়াপুরের কাছে ভাগিরথীর সাথে মিলেছে। জলঙ্গীর শাখা হিসেবে ভারত থেকে আসা ভৈরবের অবশিষ্ট প্রবাহ বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার কাথুলীর কাছে প্রবেশ করছে।
ভৈরব নদ বাংলাদেশে প্রবেশের পরই এর ডানতীরে ইছাখালী নামের একটি নদী ভারত সীমান্ত পার হয়ে এসে পড়েছে। এই ইছাখালী নদীর পথটিই ভৈরবের আদিপথ বলে চিহ্নিত করা যায়। ভৈরব নদ মেহেরপুর ও মুজিবনগর ছাড়িয়ে  মহাজনপুরের কাছে এর বাম তীরে কাজলা নদী এসে পড়েছে। কাজলা নদীর একটি উপনদী শেউটিয়া আমঝুপির কাছে এসে মিলিত হয়েছে। কাজলা নদীর প্রবাহপথে চাঁদ বিল, দলকা বিল ও দাতপুর বিল অবস্থিত। ৪ভৈরবের প্রবাহ পথ শুবুলপুরের কাছে মাথাভাঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মাথাভাঙ্গা নামে দর্শনার কাছে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করেছে। সীমান্ত অতিক্রম করার সময় এর বাম তীর থেকে রেলসেতুর তলা দিয়ে ভৈরবের আদি প্রবাহপথ জীবননগরের দিকে এগিয়ে গেছে। তবে এর মূল প্রবাহ চূর্ণী নামে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে মাঝদিয়ার কাছে দু’ভাগ হয়েছে। এর বামতীরের শাখা ইছামতী নামে ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের দিকে এগিয়েছে। চূর্ণী নদী দক্ষিণপশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে ভাগিরথী নদীতে পড়েছে।
ভৈরব নদ তার আদি পথে ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে বেতনা নদী ও তাহিরপুর থেকে কপোতাক্ষ নদের উৎপত্তি। ভৈরব এই অংশে নতুনপাড়া বিল, জয়দিয়া বাওড় ও বলুহর বাওড় নামের তিনটি বড় জলাশয়ের পানি নিষ্কাশন করে। কপোতাক্ষ নদ ৪ভৈরব নদ থেকে বের হয়ে এর সমস্ত প্রবাহ নিয়ে নেয়। কপোতাক্ষ নদ এরপর দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানীর কাছে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত রেখা অনুসরণ করে। কপোতাক্ষ এরপর যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলায় প্রবেশ করে যশোর বেনাপোল সড়ক ও রেল সেতু পার করেছে।
কপোতাক্ষ যশোর জেলার ঝিকরগাছা, মনিরামপুর ও কেশবপুর; সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া ও তালা এবং খুলনা জেলার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বর্তমানে এক মৃত নদীতে পরিণত হয়েছে ও অবর্ণনীয় জলাবদ্ধতা তৈরি করেছে। এই জলাবদ্ধতার মূল কারণ উজান থেকে মিষ্টি পানি প্রবাহ বন্ধ হওয়া এবং ভাটি থেকে জোয়ারের পলি এসে নদীর প্রবাহপথকে বুজিয়ে দেয়া। পানি উন্নয়ন বোর্ড এই জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে ড্রেজিংএর মাধ্যমে বারবার কপোতাক্ষের পলি সরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভৈরবের মাধ্যমে উজান থেকে মিষ্টি পানির সরবরাহ না থাকায় জোয়ারের প্রকোপ বাড়ছে ও নদীর ভাটির অংশের তলার পলি কেটে এনে উজানে পুনরায় নদী ভরাট করে চলছে। কপোতাক্ষ নদের প্রবাহপথে বাঁকড়া, মশ্বিমনগর, ত্রিমোহনী, সাগরদাড়ি, খেসরা ও জালালপুরে বেশ কয়েকটি বাঁক আছে যেগুলি সোজা করে কেটে দেয়া দরকার।
কপোতাক্ষ নদের বাম তীর থেকে ঝিকরগাছার দক্ষিণে হরিহর নদ এবং ত্রিমোহনী থেকে ভদ্রা নদীর উৎপত্তি হয়েছে। হরিহর নদ দক্ষিণপূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে কেশবপুরের কাছে ভদ্রার সাথে মিলিত হয়েছে। কপোতাক্ষ নদের প্রবাহপথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাওড় আছে, যথা, উজ্জলপুর বাওড়, খাতরা বাওড়, হরিহরনগর বাওড়, ঝানপা বাওড়, খাজুরা বাওড়, কপোতাক্ষ নদের প্রবাহপথে কেশবপুরের সাগরদাঁড়ির কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থানে বাৎসরিক মেলা হয়। এখান পর্যন্ত আগে জেয়ার ভাটার প্রভাব ছিলো, কিন্তু বর্তমানে কপোতাক্ষ নদ এখানে পলি পড়ে বুজে গেছে।
সাতক্ষীরা খুলনা সড়কের উপর কপোতাক্ষ নদের তীরে পাটকেলঘাটা এক গুরুত্বপূর্ণ নৌ বন্দর ছিলো। কপোতাক্ষ নদ মরে যাওয়ায এই নৌ বন্দরটিও মরে গেছে। সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা থেকে দলুয়া নদী; কয়রা উপজেলা থেকে কয়রা, শালিখা ও শাকবাড়িয়া নদী কপোতাক্ষ নদে এসে পড়েছে। পাইকগাছা উপজেলায় কৃষ্ণপুর খাল নামে একটি কাটা নৌপথ আছে যা’ অতীতে কপোতাক্ষ এবং হাড়িয়া নদীকে যুক্ত করত। এখন এই খালটি সংরক্ষণের অভাবে অচল হয়ে যাওয়ায় কয়রা নদী ব্যবহার হচ্ছে।
কপোতাক্ষ পাইকগাছা উপজেলায় প্রবেশ করে দক্ষিণ ও উত্তরমুখী কয়েকটি দীর্ঘ বেড়এর কারণে এর মূল প্রবাহপথ ত্যাগ করে দক্ষিণপূর্ব দিকের হাড়িয়া নদীর পথে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কয়রা উপজেলায় জোয়ার ভাটার প্রকোপে কপোতাক্ষ নদ জাগ্রত আছে। কয়রা উপজেলা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সবচেয়ে নিচু এলাকা। কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন একেবারে সুন্দরবনের ভেতরে তাই এখানে প্রায়ই বাঘের আক্রমণ হয়। কপোতাক্ষ নদের উপর কয়রা নদী এসে পড়েছে। এই কয়রা নদী দিয়েই এখন ভারত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচলের পথ চালু আছে।
কপোতাক্ষ নদ এর উৎসমুখ তাহিরপুর থেকে ঝিকরগাছা পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার, ঝিকরগাছা থেকে সাতক্ষীরা খুলনা সড়কসেতু (পাটকেলঘাটা) ৬০ কিলোমিটার, এবং পাটকেলঘাটা থেকে গাবুরা ৮০ কিলোমিটার। তাহিরপুর, ঝিকরগাছা ও তালা মাগুরায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তিনটি পানি সমতা মাপার স্টেশন আছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী শহরের কাছ থেকে গঙ্গা নদীর শাখা হিসেবে মাথাভাঙ্গা নদীর উৎপত্তি। অতীতে এই স্থানটি ছিলো কুমার নদের উৎপত্তিস্থল। কুমার নদ গঙ্গার শাখা হিসাবে এখান থেকে বেরিয়ে প্রথমে দক্ষিণমুখী তারপর দক্ষিণ পূর্বমুখী পথে প্রবাহিত হয়ে আলমডাঙ্গা, শৈলকূপা, শ্রীপুর, মধুখালী, বোয়ালমারী, মকসুদপুর, ভাঙ্গা, টেকেরহাট, রাজৈর হয়ে মাদারীপুরের কাছে সাগরের মোহনায় পড়ত। করিমগঞ্জের কাছে জলঙ্গীর খাল নামে ভৈরব নদের সাথে কুমারের একটি নৌ সংযোগ খাল ছিলো। আলমডাঙ্গার কাছে নবগঙ্গা নামে কুমার নদ থেকে উৎপন্ন একটি শাখানদী ছিলো যা’ ঝিনাইদহ মাগুরা অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হতো। কুমার নদের পরবর্তী ইতিহাস অন্যরকম। রেনেলের ম্যাপে দেখা যায় কুমারের শাখা জলঙ্গী নদী দক্ষিণ পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে ভৈরব নদকে ছিন্ন করে খাড়ি নদীতে গিয়ে পড়ছে। সম্ভবতঃ কুমার অববাহিকায় গঙ্গার পলি পড়ে উঁচু হয়ে যাওয়ায় এই পরিবর্তন হয়। মাথাভাঙ্গা নদী একই ভাবে নবগঙ্গা নদী ধরে বেড়ে উঠে ভৈরবের সাথে যুক্ত হয়। এই সময়ের কাছাকাছি কুষ্টিয়ার তালবাড়িয়ার কাছ থেকে কালিগঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়। এই নদী কুমার নদের প্রবাহপথকে কোথায়ও গ্রহণ করে কোথায়ও ছিন্ন করে সাগরের দিকে এগিয়ে যায়।
মাথাভাঙ্গা নদী বলতে বর্তমানে জলঙ্গীর কাছে কুমার নদের মুখ থেকে আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনা হয়ে প্রবাহিত নদীকে বোঝায়। মাথাভাঙ্গা নদী উৎস জলঙ্গী থেকে হাট বোয়ালিয়া পর্যন্ত কুমার নদের প্রবাহপথের উপর, এরপর চুয়াডাঙ্গা পর্যন্ত নবগঙ্গা নদীর উপর তারপর শুবুলপুর পর্যন্ত মাথাভাঙ্গা খালের উপর এবং তারপর দর্শনা পর্যন্ত ভৈরব নদের প্রবাহপথের উপর দিয়ে বয়ে চলছে। এইসব পরিবর্তনের ফলে মাঝদিয়া থেকে ভৈরবের শাখা ইছামতী নদী থেকে চূর্ণী নামের একটি শাখা বের হয়ে ভাগিরথীতে গিয়ে পড়েছে। মাথাভাঙ্গা নদী এভাবে দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নে প্রবেশ করে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত ধরে দক্ষিণে এগিয়েছে। কাজিপুরের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভৈরবের সাথে গিয়ে মিলেছে। বাংলাদেশের প্রবেশের মুখে ডানদিকে মাতমুরা নামের এর একটি বাওড় আছে। এরপর প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ এগিয়ে মাথাভাঙ্গা নদী ভারতে প্রবেশ করেছে।
মাথাভাঙ্গা নদী এর তীরবর্তী ঝর্ণার মাধ্যমে দৌলতপুর উপজেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর থেকে পানি পেয়ে সারা বছর চালু থাকে। এই ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের সাথে গঙ্গা নদীর সংযোগ আছে। এছাড়া মাথাভাঙ্গা নদী তার প্রবাহপথে গাংনী উপজেলার কিছু এলাকার বৃষ্টির পানিও পায়। বর্ষাকালে মাথাভাঙ্গা নদী গঙ্গা নদী থেকে বন্যার পানি পায়। কিন্তু এইসব পানির পুরোটাই দর্শনার ভাটিতে ভারতে চলে যায়। মাথাভাঙ্গা নদীর সাথে কাজলা নদীর মাধ্যমে স্টুয়ার্ট খাল নামে নৌ সংযোগ খাাল ছিলো। খলিশাকুন্ডির দক্ষিণে এর পথে একটি লুপকাট আছে। দর্শনার আগে এর ডান তীরে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়লগাছি ইউনিয়ন থেকে রাইসা বিলের খাল এসে পড়েছে। দর্শনার ভাটিতে একই উপজেলার মদনা ইউনিয়ন এলাকার দামোদর বিলের খাল এসে পড়েছে। দামুড়হুদা উপজেলার দক্ষিণ সীমানায় দাড়ি নামের একটি নদী আছে যা’ দামোদর বিলের সাথে সংযুক্ত। চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনায় মাথাভাঙ্গা নদীর পানি সমতা মাপার স্টেশন আছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।