চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২২ জানুয়ারি ২০২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতের থেকে পাঠানো ২০ লাখ ডোজ টিকা এসেছে

সমীকরণ প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২২, ২০২১ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

করোনা প্রতিরোধে প্রস্তুত বাংলাদেশ
সমীকরণ প্রতিবেদন:
অবশেষে বহুল প্রতিক্ষিত করোনা প্রতিশেধক টিকা এসেছে দেশে। প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে পাঠানো করোনাভাইরাসের ২০ লাখ ডোজ টিকা অনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ ফ্লাইটে টিকার এই চালান নিয়ে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের হাতে টিকার দুটি বাক্স তুলে দিয়ে হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ভারতের হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বসমী। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাষ্ট্রাজেনেকার এই টিকা পৌঁছে যাওয়ায় দ্রুতই দেশে টিকাদান শুরু করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলেই ভ্যাকসিন আনুষ্ঠানিক ভাবে টিবাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভারতে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী। বাংলাদেশের পক্ষে টিকা গ্রহণ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মাদ শাহরিয়ার আলম, স্বাস্থ অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম। অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের এই বন্ধত্বপূর্ণ সহযোগীতার জন্য দেশটির জনগন ও সরকারকে ধন্যবাদ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক চুক্তি অনুযায়ী এ মাসের শেষে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা। সে অনুযায়ী টিকা আসবে। ফ্লাইট শিডিউল হাতে পেলে জানিয়ে দেয়া হবে কবে টিকা পাচ্ছি। এখনও ফ্লাইট শিডিউল পাইনি। এরপর প্রতিমাসে ৫০ লাখ করে টিকা আসার কথা রয়েছে। টিকা আসার একটি শিডিউল আছে। যদি এদিক সেদিক হয় তবে যখন আমরা জানবো তখন জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।
কবে থেকে টিকাদান শুরু হবে জানতে চাইলে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা টিকা গ্রহণ করেছি। এ নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি। পরিকল্পনা শতভাগ তৈরি হয়ে গেছে তা কিন্তু নয়। আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে টিকার একটি ট্রায়াল রান করার চিন্তাভাবনা আছে। সেই তারিখটি আপনাদের পরিবর্তীতে জানো হবে। কারণ তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত দিনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। ভিডিও কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে টিকার ট্রায়ালে যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনও গুজব না ছড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, টিকা মানুষের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। যারা মানুষের জীবন নিয়ে ষড়যন্ত্র, রাজনীতি করে তারা সঠিক লোক নয়। আমরা করোনা মোকাবিলায় আছি, জীবন রক্ষায় আছি। এই মোকাবিলায় টিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এজন্য কেউ যাতে জাতিকে বিভ্রান্ত না করে সেজন্য আহবান জানাচ্ছি।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।