ভারতীয় নাগরিকদের বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা

177

দর্শনা চেকপোস্টে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে কাজ করছে মেডিকেল টিম
দর্শনা অফিস:
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে একটি মেডিকেল টিম গঠনপূর্বক ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ শ পাসপোর্টধারী যাত্রী আসা-যাওয়া করায় এ চেকপোস্টে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে নেওয়া হয়েছে এ বিশেষ সতর্কতা।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগের গঠনকৃত মেডিকেল টিমটি প্রতিদিন দুই ভাগে ভাগ হয়ে ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ করছে। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. শাকিল আরসালান ও সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহাজামাল এবং বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ওয়াশীম আলী ও সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহাজামাল করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ করছেন। জানুয়ারির প্রথম দিকে চীন দেশে ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে দেশ-বিদেশের বন্দর ও সীমান্ত পথে ব্যাপক সতর্কতা গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সীমান্তপথে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে গ্রহণ করা হয় বিশেষ সতর্কতা। এরই ধারাবাহিকতায় দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে একটি মেডিকেল টিম গঠনপূর্বক ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে। এ চেকপোস্ট দিয়ে চীনা নগারিকসহ যেকোনো দেশের নাগরিক প্রবেশ করলে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। চলতি মাসেও এ চেকপোস্ট দিয়ে চীনা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এ ব্যাপারে চেকপোস্টের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহাজামাল জানান, ‘করোনা ভাইরাস-সম্পর্কিত বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে । এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই আমরা করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের কাজ শুরু করেছি।’
স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল টিমের সদস্য উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ওয়াশীম আলী জানান, ‘আমরা সকাল ৮টা থেকে দুইটি ভাগে ভাগ হয়ে করোনা ভাইরাসের শনাক্তকরণের কাজ শুরু করেছি। বিশেষ করে ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রী ও ভারতীয় নাগরিকদের করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ঠান্ডাজনিত বা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। আমরা সর্তক আছি। এ ধরণের রোগী পেলে তাকে দ্রুত আলাদা স্থানে রেখে চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে খবর দেওয়া হবে।’