চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ৭ অক্টোবর ২০২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভাঙা সংসার জোড়া লাগালেন এসপি জাহিদ

সমীকরণ প্রতিবেদন
অক্টোবর ৭, ২০২১ ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় সুখের সংসার ফিরে পেলেন রফিকুল-রজনী দম্পত্তি। গতকাল বুধবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার”-এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী দায়িত্ব নিয়ে পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় তাঁদের ভাঙা সংসার জোড়া লাগান।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার মনিরামপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের মো. আসলাম আলীর মেয়ে মোছা. রজনীর সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার গাংনী গ্রামের মো. মুনতাজ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর হতে যৌতুকের দাবিতে মো. রফিকুল তাঁর স্ত্রী রজনী খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়েন। ধীরে ধীরে রফিকুল রজনী খাতুনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। রজনী খাতুন যৌতুক দিতে ব্যর্থ হওয়ায় রফিকুল রজনী খাতুনকে তালাক দেন। তাঁদের সংসার জীবনে ফুটফুটে একটি সন্তান রয়েছে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে রফিকুল রজনীকে পুনরায় বিবাহ করেন। কিছুদিন না যেতেই রফিকুল রজনী খাতুনকে আবারো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। পরে রজনী খাতুন সমস্যার সমাধান চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে কোনো সমাধান না পেয়ে তার মা মোছা. ময়না খাতুনকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন। সব কিছু শুনে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁর কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার”-এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানীকে দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে ডেকে এসপি জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী মোছা. রজনী খাতুনের সাথে পুনরায় সংসার করতে ও সন্তানের ভরণ পোষণ দিতে রাজি হন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।