চুয়াডাঙ্গা বুধবার , ৯ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বড়বলদিয়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে অপ্রতিরোধ্যভাবে বেচাকেনা হচ্ছে ভারতীয় মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও পদক্ষেপ নেই প্রশাসনের! মাদক ব্যবসায় বেপরোয়া মিঠুন

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ৯, ২০১৬ ২:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়ুলগাছি প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার বড়বলদিয়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে অপ্রতিরোধ্যভাবে ভারতীয় মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বেচাকেনা হচ্ছে। এখানে প্রতিনিয়ত শত শত বোতল ভারতীয় মদসহ বিভিন্ন রকম মাদকদ্রব্য দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশি মত মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মাদক সম্রাট মিঠুন। মাদক সম্রাট মিঠুনের বিরুদ্ধে স্থানীয় অনেক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ না থাকায় সে নিজেকে অনেক বেশি প্রভাবশালী দাবি করে বলে যে, আমার নামে নিউজ করে কোন লাভ নেই। প্রশাসন আমার হাতের মুঠোয়। অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের বড়বলদিয়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিঠুন দীর্ঘদিন যাবত প্রকাশ্যে দিবালোকে অপ্রতিরোধ্যভাবে হাড় হামেশায় জমজমাটভাবে ভারতীয় মদ বিক্রি করে চলেছে। এই নিয়ে পত্রিকায় সত্য ও বস্তু নিষ্ট সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর কিছু দিন থেমে থাকে মাদক ব্যবসা। তবে সম্প্রতি কিছু অসাধু নেতাদের হাত করে আবারো প্রকাশ্যে আনন্দের সাথে চালিয়ে যাচ্ছে মদেরমত মরণ নেশা মাদক। এছাড়াও সে ফেন্সিডিল, গাঁজা, হেরোইন ও প্যাথোডিন নামক মরণ নেশা মাদক বিক্রি করে চলেছে। কিন্তু কয়েকবার পত্রিকায় এই সংবাদ প্রকাশ করা হলে প্রশাসন কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। এদিকে মাদক সম্রাট মিঠুন নিজেকে অনেক বেশী প্রভাবশালী দাবি করে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা। সে তার বক্তব্যে বলেছে যে, প্রশাসন আমার হাতের মুঠোয়। সাংবাদিকদের আমার নামে নিউজ করায় বৃথা। আমার হাত অনেক লম্বা। এলাকার অনেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, মিঠুন সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতীয় লোকদের সেটিং করে  এসব মদসহ যত মাদকদ্রব্য আছে সব  সীমান্তের ওপার থেকে এপারে নিয়ে আসে এবং এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেদের কাছে কখনো চড়া মুল্যে আবার কখনো সূলভ মূল্যে বিক্রি করে। যার ফলে এই এলাকার প্রায় প্রতিটি পরিবারের সন্তানরা এখন মাদক আসক্ত। এছাড়াও মাদক সম্রাট মিঠুনের এখন অনেক নাম। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মাদক সম্রাট মিঠুনের কাছে আসে মাদক সেবনের জন্য। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে এই বড়বলদিয়ায় বসান হয়েছে বিজিবি ক্যাম্প। বিজিবি কি এর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে না? এলাকার অনেকের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে কোন উত্তর মেলেনি তাদের কাছে থেকে। তবে কেন জবাব মেলেনি তা কারো অজানা নয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এমন প্রায় ছোটখাট প্রতিটি দোকানেই ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রীসহ, ভারতীয় মদ ও বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের ছড়াছড়ি। আর তা অতি উৎসাহী ও মাতাল ক্রেতারা চড়ামূল্যে ক্রয় করে নিচ্ছে। আগে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবি ও পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মদসহ বিভিন্ন পণ্যাদি আটক করত। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবার মাদকব্যবসাসহ নানা রকম অপকর্মের উদ্ভব ঘটেছে। তাই প্রশাসনের উচ্চপদের কর্মকর্তাদের ও বিশেষ করে এলাকার বিচক্ষন ডিবি অফিসারদের কাছে আবারো আশুহস্তক্ষেপ এবং সুদৃষ্টি কামনা করছে এলাকার সচেতন জনপ্রতিনিধি দল যে, অতিসত্ত্বর আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করে এই মাদক সম্রাট মিঠুনসহ এলাকার মাদকের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ করা হোক।  মাদকের ভয়াবহ অভিশাপ থেকে এলাকার সরল সহজ মানুষকে রক্ষা করে একটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্টা করা হোক এমন টায় দাবি এলাকার সচেতন মহল ও এলাকার অসহায় অভিভাবক মহল।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।