ব্যক্তিগত কলহে মন্দিরপাড়া উত্তাল

418

দর্শনা কালিদাশপুরের বানচা সরদারের

দর্শনা অফিস: দর্শনা কালিদাশপুর আদিবাসী পাড়ার বানচা সরদারের গাজা বিক্রিকে কেন্দ্র করে মন্দির পাড়া উত্তাল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের নজরদারীও বেড়েছে আদিবাসী পাড়ার পুজামন্ডপে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আদিবাসীপাড়ার পূজামন্ডপে যখন সকলে পূজা উৎসবে ব্যাস্ত ঠিক সে সময় আদিবাসী পাড়ার চিহ্নিত গাঁজাব্যবসায়ী সীদাম সরদারের ছেলে বানচা সরদারের কাছে গাজা কিনতে যায় এলাকার দুই চিহ্নিত বখাটে ইসলামের ছেলে জনি ও একই এলাকার মাহাবুল। এসময় বানচা পুজা মন্ডপের উৎসবে মেতে থাকায় জনি ও মাহাবুল দুজনেই এ উৎসবে নাচ-গানে মগ্ন হয়। এরই এক পর্যায়ে বানচার কাছে গাজা কিনতে চায়। এসময় বানচা গাজা বিক্রির পুরানো বকেয়া টাকা চাওয়ায় জনি ও মাহাবুল বানচার সাথে কথা কাটাকাটি। পাশে দাড়িয়ে থাকা কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য বিষয়টি লক্ষ করে এবং জনি ও মাহাবুলকে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরদিন গতকাল সকালে মাহাবুল ও জনি বানচাকে রাস্তায় পেয়ে ব্যাক্তিগত কারনে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দেখায়। চতুর গাজা ব্যাবসায়ী বানচা মন্দিরপাড়ায় এসে কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে বানিয়ে বানিয়ে বলে পুজা শেষ হওয়ার পর জনি ও মাহাবুল আমাদের সকলকে দেখে নেবে, আদিবাসী পাড়া উড়িয়ে দেবে। একথা শুনে মন্দির কমিটি প্রশাসনকে জানালে বিষয়টি একান থেকে ওকান ছড়াতে থাকে এবং মন্দিরপাড়া উত্তাল হয়। প্রশাসন  এ ঘটনা শুনার পর আদিবাসী পুজামন্ডপে নজরদারী বাড়িয়ে অতিরিক্ত এক পুলিশ অফিসার দামুড়হুদা থানার এএসআই নাসিরকে সেখানে নিয়োগ করা হয়। এ বিষয়ে আদিবাসী পুজা মন্ডপের সভাপতি যাদব বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের লোকজনকে যার রাস্তায় পাচ্ছে তাকেই হুমকি দেখাচ্ছে জনি ও মাহাবুল। কাকে কাকে হুমকি দেখাচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বানচা ছাড়া নির্দিষ্ট কাওকে দেখাতে পারেনি। এছাড়া কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার এএসআই নাসির ও কনস্টেবলের কাছে ঘটনাটি জনতে চাইলে তারা বলেন এটা সম্পুর্ন বাইরের ঘটনা। মন্দিরে এ ধরনের কোন হুমকি ধামকির ঘটনা ঘটেনি। তাছাড়া বানচা সরদার একজন আলোচিত গাজা ব্যাবসায়ী। সে তার ব্যাক্তিগত বিষয় মন্দিও পাড়ায় প্রচার করে নিজের দোষ এড়াতে চাচ্ছে।