বেগমপুর ইউপির আলোচিত ইউপি সদস্য কায়েশ ও কথিত নেতা সেলিমের নেতৃত্বে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবে হামলা

DSC07290

হিজলগাড়ী প্রতিনিধি: পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে চুয়াডাঙ্গা সদরের অন্যতম সাংবাদিক সংগঠন হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়েছে বেগমপুর ইউপির আলোচিত ইউপি সদস্য কায়েশ আলী ও হরিশপুর গ্রামের আলোচিত কথিত নেতা সেলিম। এসময় প্রকাশ্যে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতিকে লাঞ্ছিত করে দেখা নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তম আন্দোলনের ঘোষনা দিয়েছে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাব। সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় চলছে প্রতিবাদের ঝড়।
জানা গেছে, গতকাল চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আকাশ খবর পত্রিকায় চুয়াডাঙ্গার কেষ্টপুরের মারামারি ঘটনা ১ লক্ষ ১০ টাকায় আপস শিরোনামের সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদের জের ধরে হরিশপুর গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে আলোচিত কথিত নেতা সেলিম  তার ব্যবহৃত মোবাইল নং ০১৯২২-৩৭২৫৭৫ দিয়ে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ অপূর্বের মোবাইলে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। পরে আব্দুস সামাদ বিষয়টি হিজলগাড়ী প্রেসক্লাব সভাপতিকে জানালে তিনি সেলিমের মোবাইলে ফোন করে গালি দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে সেলিম। এর কিছুক্ষন পরেই ইউপি সদস্য কায়েশ আলী ও সেলিম হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে জনসম্মুখে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক লাঞ্ছিত করে। সেই সাথে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দেয়। এদিকে প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রেসক্লাবের মত একটি পবিত্রস্থানে এসে কোন ক্ষমতার জোরে প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের দেখা নেওয়ার হুমকি দেয় তা সচেতন মহলের বুঝে আসে না। ঘটনার পরপরই হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সদস্যরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভা করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মোতাবেক গতকালই হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সদস্যরা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।