বিএনপি একক প্রার্থী, বিদ্রোহী নিয়ে দুশ্চিন্তায় আ.লীগ

108

কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন : প্রচার-প্রচারণায় সরগমরম পাড়া-মহল্লা
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি একক প্রার্থী নিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। অন্যদিকে অওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীসহ আরও দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে সরকারি দল। আগামী ৩০ জানুয়ারি দেশের প্রাচীনতম এ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রচার-প্রচারণায় সরগরম গোটা পৌর এলাকার পাড়া-মহল্লা। ১৮৮৪ সালে কোটচাঁদপুর পৌরসভা স্থাপিত হয়। এটি একটি পুরানো শহর। এককালে এ শহর চিনিশিল্প হিসেবে পরিচিত ছিল।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত শাহাজাহান আলী, বিএনপি মনোনিত সাবেক মেয়র এস কে এম সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল, স্বতন্ত্র সাবেক মেয়র জাহিদুল ইসলাম জিরে ও সহিদুজ্জামান সেলিম। সহিদুজ্জামান সেলিম কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের কর্মী। বিদ্রোহী হওয়ায় দল থেকে তাঁদের বহিস্কার করা হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি দলের কাছে মেয়র পদে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রচারণায় বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ করেন সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। সমর্থকদের মারধর করা হচ্ছে।
বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দিন বুলবুল সিডলও একই ধরনের অভিযোগ করেন। সিডল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানের শীষ জয়ী হবে। কিন্তু এ সরকার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনকে ভয় পায়। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য মানুষ নৌকায় ভোট দিবে। এ পৌরসভায় মেয়র পদে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা থাকলেও ভোটারদের মধ্যে নানা সন্দেহ ও আতঙ্ক কাজ করছে। তথ্যমতে, জামায়াতের এখানে শক্ত অবস্থান আছে। তাঁদের ভোটের ওপর জয়-পরাজয় নির্ভর করছে। এই পৌরসভায় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১২ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৪৯৩ জন।