চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ১৯ নভেম্বর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপির গণসমাবেশ আজ, জনস্রোতে ভাসছে সিলেট

সিটি মেয়রের কৌশলে আ.লীগের পরিকল্পনা পণ্ড, নৌকা-ট্রলারে আসছেন নেতা-কর্মীরা
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
নভেম্বর ১৯, ২০২২ ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

সমীকরণ প্রতিবেদন: সমস্ত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে জনতার ঢল নেমেছে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের দিকে। একদিন আগেই সিলেটে সমাবেশের আমেজ শুরু হয়েছে। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গতকাল শুক্রবার থেকেই সিলেটের সঙ্গে আশপাশের জেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সিলেট কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আর বিচ্ছিন্ন সিলেট নগরীতে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। আজ শনিবার সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সিনিয়র নেতারা বক্তব্য রাখবেন। একদিন আগেই গতকাল শুক্রবার থেকে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে সিলেট নগরীতে। সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকায় আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিকল্প উপায়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তবে অনেকেই বলছেন বিএনপি নেতা সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর কৌশলেই সফলভাবে নেতাকর্মীরা মাঠে এসে পৌঁছেছেন। সমাবেশের আগের দিন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নিজে টাকা দিয়ে সিলেটে আঞ্জিমুশান ইজতেমা করে সিলেটকে ধর্মঘট মুক্ত রেখেছেন। একারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের সমাবেশে আগের দিন নিয়ে এসেছেন। আরিফের কৌশলের কাছে আওয়ামী লীগের সব কৌশল পরাজিত হয়েছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাধানেই সরকারবিরোধী এই সমাবেশ করছে বিএনপি। সরকারের টাকায় কেনা সিটি করপোরেশনের গাড়ি, রোলার ও বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে সমাবেশস্থল প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন সমাবেশের দুদিন আগে থেকে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য সমাবেশস্থলে সড়কের পাশেই ভিআইপি ভ্রাম্যমাণ টয়লেট বসিয়েছেন মেয়র আরিফ। সিটির পানির গাড়ি দিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে সমাবেশে পানিও সরবরাহ করা হচ্ছে। এনিয়ে আওয়ামী লীগসহ সচেতন নগরবাসীর মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, সরকারের টাকায় কেনা সিটি করপোরেশনের সরঞ্জাম সিটি মেয়র যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে ব্যবহার করেন তাহলে বিষয়টি খুবই দুঃখ্যজনক। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এব্যাপারে তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। আরিফের কৌশল নিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, বিএনপি সমাবেশ নিয়ে কথায় কথায় মিথ্যাচার করে। মিথ্যা বলা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ধর্মঘট আওয়ামী লীগ ডাকেনি। এটা পরিবহন শ্রমিকরা ডেকেছেন। তাদের শান্তিপূর্ণ কোনো কর্মসূচিতে আমাদের বাধা নেই। তবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটালে আমরা রাজপথে নামব। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যেকোনো বিশৃঙ্খলার জবাব দিতে প্রস্তুত আছে। ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর মোবাইলে গতকাল শুক্রবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
অপর দিকে গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন। কিছুক্ষণ পরপর নেতা-কর্মীরা মিছিল ও স্লোগান দিয়ে সমাবেশের মাঠে প্রবেশ করছেন। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সকল বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের জনসে তে এখন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে। সরকারের সকল অপকর্মের প্রতিবাদ জানাতে বিএনপির সঙ্গে সাধারণ মানুষও এখন রাজপথে নেমে এসেছেন। স্মরণকালের ইতিহাসে বড় সমাবেশ হবে সিলেটে। গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মাঠে স্থাপিত ক্যাম্পগুলোতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন। ভাসমান ব্যবসায়ীরা সেখানে বেচাবিক্রি চালাচ্ছেন। মাঠের একপাশে বড় বড় হাঁড়িতে সমাবেশে আসা নেতাকর্মীদের জন্য রান্না করা হচ্ছে।
রান্নার দায়িত্বে থাকা বাবুর্চি শাহ আলম বলেন, আজ ১০ হাজার লোকের জন্য মোরগ পোলাও রান্না করছে। রান্না শেষ হলে মাঠে থাকা যেকোনো নেতাকর্মী এই খাবার খেতে পারবেন। বৃহস্পতিবার থেকে সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছে শতাধিক নেতাকর্মী। সেখানে তাদের রাত্রি যাপনসহ খাওয়া-ধাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাবেশস্থলে রয়েছে বিভাগের বাকি জেলা নেতাদের অবস্থানের জন্য পৃথক ক্যাম্প। সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সমাবেশস্থলে ছিটানো হয় মশক নিধন ওষুধ। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি কর্মীদের জন্য মাঠে ফ্রি পানি বিতরণের ব্যবস্থা করেছে। রাতে আসা নেতাকর্মীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে নগরীর বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারে। কেউ কেউ অবস্থান নিচ্ছেন মসজিদের বারান্দায়। কমলগঞ্জ থেকে আসা যুবদল নেতা ইউসুফ আলী বলেন, নেতা-কর্মীরা অনেকেই অনেকভাবে অনেক কষ্ট এসেছেন। পরে সিলেটে এসে জড়ো হয়েছেন তারা। কমলগঞ্জ থেকে আসা নেতা-কর্মীরা এখন সমাবেশস্থলে তাদের নির্দিষ্ট ক্যাম্পে যাচ্ছেন। সেখানেই খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
কানাইঘাট থেকে আসা ছাত্রদলকর্মী নাসির উদ্দিন বলেন, কানাইঘাট থেকে বেলা ১১টার দিকে বাসে করে নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসেছেন। দুপুর একটার দিকে সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে জুমার নামাজ শেষে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে এসেছেন। রাতে সমাবেশস্থলে থেকে কাল সমাবেশ শেষ করেই বাড়িতে ফিরবেন। তিনি বলেন, শনিবার পরিবহন ধর্মঘট থাকায় আগেভাগেই সমাবেশে চলে এসেছেন। জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদ এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীন সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিভাগীয় শহরে ধারাবাহিক গণসমাবেশ করছে বিএনপি। প্রথমটি হয় গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামে। এরপর ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরের পর আজ শনিবার সিলেটে গণসমাবেশ হবে।
নৌকা-মোটরসাইকেলে চড়ে সমাবেশে নেতাকর্মীরা :
বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগে সিলেট বিভাগের তিন জেলায় শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে গণপরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই নদীপথে নৌকায় করে সমাবেশে যোগ দিতে সিলেট আসছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী যে যেভাবে পারছেন সিলেট এসে পৌঁছেছেন। সিলেট জেলার আশপাশের ভাটি অঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে সুরমা নদী হয়ে শত শত নেতাকর্মী সিলেট নগরের বিভিন্ন নৌঘাটে ভিড় করেছেন।
জানা যায়, সুনামগঞ্জের মধ্যনগর, ধরমপাশা, তাহিরপুর, দিরাই, শাল্লা, ছাতক, নেত্রকোনা থেকে এসেছে শত শত নৌযান সিলেট এসেছে। নৌকায় করে সিলেট আসা নেতাকর্মীর কয়েকজন জানান, শুক্রবার সকাল থেকে তারা মূলত বাসে করে সমাবেশে আসার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল সকালে হঠাৎ গণপরিবহন বন্ধের খবর জানতে পেরে বৃহস্পতিবার রাতেই নৌকায় আসার প্রস্তুতি নেন। পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখায় তারা নদী পাড়ি দিয়ে সমাবেশে উপস্থিত হতে পারছেন বলে উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা। গতকাল শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের এক পাশে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। মাঠে মাইক টানানো হয়েছে এবং মাঠের দুই পাশে দুটি বড় পর্দা লাগানো হয়েছে। মাঠে হাজারও বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়েছেন। বেশকিছু নেতাকর্মী একেকজন একেক দায়িত্ব পালন করছেন। প্রত্যেকেই আছেন ফুরফুরে মেজাজে। মঞ্চের তিন পাশে নির্মাণ করা হয়েছে বিভাগের বিভিন্ন এলাকা নেতাদের উদ্যোগে ক্যাম্প। ক্যাম্পে ক্যাম্পে চলছে রান্না ও খাবারে আয়োজন। ক্যাম্পগুলোতে মজুদ করে রাখা হয়েছে চালের বস্তা, তেল ও রান্নার সামগ্রী। কয়েকজন নারীকে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ বাটতে দেখা যায়। প্রতিটি ক্যাম্পেই বড় বড় হাড়িতে হচ্ছে রান্না। এছাড়াও মাঠের প্রবেশমুখে স্থাপন করা হয়েছে ‘ডা. জোবায়দা রহমান ফ্রি ফুড ক্যাম্প’। এ ক্যাম্প থেকে সমাবেশস্থলে আসা নেতাকর্মীদের পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।
মোটরসাইকেল বহর নিয়ে সুনামগঞ্জের নেতাকর্মীরা সিলেট সমাবেশে :
সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকাসহ সব রুটেই গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ধর্মঘট উপেক্ষা করে সুনামগঞ্জের বিএনপির নেতাকর্মীরা বিকল্পভাবে সিলেটের গণসমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশাল মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে নেতা-কর্মীরা সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেন। এই বহরে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দেন। সুনামগঞ্জের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে শহর ও শহরতলির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। জেলার তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মোটরসাইকেলে শহরের সুরমা সেতুর পাশে এসে মূল বহরে যোগ দেন। পথে ছাতক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা থেকে মোটরসাইকেলে নেতাকর্মীদের যোগ দেয়ার কথা।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান বলেন, উপজেলা নেতাকর্মীদের অনেকেই গত দুদিনে সিলেটে পৌঁছে গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেও তিনি নিজে কয়েকটি বাসে নেতাকর্মীদের বিদায় দিয়েছেন। আজ তিনি মোটরসাইকেল বহরে যোগ দিয়েছেন। মোটরসাইকেল বহরে থাকা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন, জেলার নেতাকর্মীদের বেশির ভাগই এখন সিলেটে অবস্থান করছেন। এখন মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মূলত জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তরুণরা যাচ্ছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের যাওয়ার পথে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়াই বাস ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। তবে এসব করে একজন নেতাকর্মীকেও আটকানো যাবে না। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, সিলেটের সমাবেশ ঘিরে সুনামগঞ্জের নেতা-কর্মীরা ভীষণভাবে উজ্জীবিত। সমাবেশ সফল করতে সুনামগঞ্জে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। অবৈধভাবেই ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ জেগেছে। তবে তাদের কোনো বাধা কাজে আসছে না। বিএনপির সমাবেশগুলোর জনসমাগমই তার প্রমাণ।
পরিবহন ধর্মঘটে মানুষের ভোগান্তি :
বিএনপির সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে জেলার সঙ্গে সারা দেশের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। হঠাৎ করে বাস চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। টার্মিনালে এসে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন কি না তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল কবীর পলাশ গণমাধ্যমকে বলেন, আজ হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। পূর্বেই ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়ায় যাত্রী নেই বললেও চলে। যাত্রী না থাকায় অনেকেই গাড়ি বের করেনি।

Girl in a jacket

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।