চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ৮ আগস্ট ২০১৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঝিনাইদহের ১১ জন

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ৮, ২০১৬ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

11-Bnp-Leader-Jhenidah

ঝিনাইদহ অফিস: বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঝিনাইদহের ১১ নেতা স্থান পেয়েছেন। এ নিয়ে সারা জেলার বিএনপি নেতাকমীদের মাঝে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ মশিউর রহমান কে ৭৩ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটির ১৫ নম্বর সদস্য করা হয়েছে। তাকে আরো উপরের পদে দেখতে প্রত্যাশায় ছিলেন নেতা কর্মীরা। কিন্তু তা হয়নি। শৈলকুপার তরুন নেতা এডভোকেট আসাদুজ্জমান আসাদকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। আগেই তিনি তারেক রহমানের ঘনিষ্টতা অর্জন করেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি দেশব্যাপী ভাল পরিচিতি অর্জন করেন। একই উপজেলার বাসিন্দা কেন্দ্রীয় সাবেক ছাত্রদল নেতা জয়ন্ত কুমার কুন্ডুকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মহেশপুরের মনির খানকে  নির্বাহী কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক করা হয়েছে। কোটচাঁদপুরের আমিরুজ্জামান খান শিমুল কে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা  বিষয়ক সহ-সম্পাদক করা হয়েছে। তিনি ছাত্রদলের কৌশলী নেতা হিসেবে পরিচিত। কালীগঞ্জের শহিদুজ্জামান বেল্টুকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। শৈলকুপার একাধিকবার সাকেব সংসদ সদস্য আব্দুল ওাহাবকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তিনি শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য। সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য শাহানা রহমান রানীকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে । ছাত্রদলের সাবেক নেতা মহেশপুরের ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এক সময় তিনি ছাত্রদলের আইন সম্পাদক ও বাংলাদেশের ব্রিটিশ হাইকমিশনে র্থাড মিনিস্টার ছিলেন। আইনজীবী হিসেবে দেশব্যাপী তার সুখ্যাতি রয়েছে। ঝিনাইদহ ছাত্র ও যুবদলের দুর্দিনের কান্ডারী মীর রবিউল ইসলাম লাবলুকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ছিলেন। জেলায় তিনি একজন ভাল দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। শৈলকুপার আবু সাইদকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তিনি ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি ছিলেন। প্রবিন ও তরুনের সমন্বয় ঘটিয়ে ঝিনাইদহের ১১ জন কেন্দ্রীয় বিএনপিতে স্থান পাওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এখন থেকে নির্বাচিত নেতাদের মধ্যেই ছায়া পাচ্ছেন আগামী দিনের সংসদ সদস্য হওয়ার। তবে ঝিনাইদহ জেলায় বিএনপির সমর্থকের কমতি না থাকলেও সাংগঠনিক শক্তি ভেঙ্গে পড়েছে। যোগ্য নেতৃত্ব না থাকায় উপজলো পর্যায়ে কোন কর্মসুচি পালিত হচ্ছে না। প্রায় প্রতিটি উপজেলায় গ্র“পিং লবিং জিইয়ে রাখা হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত নেতারা দৌড়ের উপর আছেন। মামলায় জড়িয়ে নেতাকর্মীরা প্রায় সর্বশান্ত। এ সব কথা জানাতে আসলে নেতাকর্মীদের সাথে চরম ভাবে দুর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। এদিকে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই এলাকায় থাকেন না। ফলে মামলায় জড়িয়ে পড়া নেতাকর্মীদের সুখ দু:খের কথা শোনার মতো কেও নেই, এমন কথাও জানালেন কর্মীরা।

 

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।