চুয়াডাঙ্গা বুধবার , ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বার্ধক্যজনিত বাতরোগ- ভালো থাকার উপায়

সমীকরণ প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৭ ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অতি বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধরা বাধর্ক্যের কারণেই নানা রকম সমস্যায় ভুগে থাকেন। বার্ধক্যে শারীরিক পরিবর্তনের কারণে বেশিরভাগ রোগের উপসর্গের উপস্থাপন, লক্ষণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্নতর হতে পারে। বৃদ্ধরা অনেক সময় তাদের অসুস্থতা সম্পর্কে বলতে পারেন না বা তাদের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন না। যেমন যেসব কারণে যুবা বয়সে প্রচ- ব্যথা হয়ে থাকে, একই কারণে বৃদ্ধ বয়সে ব্যথার অনুভূতি সামান্য বা নাও থাকতে পারে। প্র¯্রাবের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা, পড়ে যাওয়া, তোতলানো, দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়া বা হঠাৎ স্মরণশক্তি কমে যাওয়া অবশ্যই হতে পারে স্ট্রোক বা এই ধরনের কোনো বড় রোগের লক্ষণ। অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিস রোগে ভালো থাকার কয়েকটি উপায়- ১। নিচুতে না বসা, চেয়ার বা হাইকমোড ব্যবহার করা। ২। গরম সেক। ৩। একটু উঁচু নরম জুতো ব্যবহার করা। ৪। হাঁটতে লাঠি ব্যবহার করা। ৫। গাড়ি থাকতে হাঁটতে না-যাওয়া। ৬। বেশি ব্যথায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাওয়া। বৃদ্ধ বয়সে বার্ধকের কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গেই পরিবর্তন হয়ে থাকে। বিনা উপসর্গে বা সামান্য কারণেই হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। পড়ে না গিয়েও হিপের হাড় বা মেরুদ-ের হাড় ভেঙে যেতে পারে অস্টিওপোরোসিসের কারণে। বৃদ্ধ লোকটির আশপাশে যারা থাকবেন তাদেরই সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। সামান্য অসুস্থতায়ই দ্রুত চেকআপের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বে কিছু কিছু বার্ধক্যজনিত বাতরোগের প্রতিকার চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো অস্টিওআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস, পারকিন্সন্স ডিজিজ, আলঝেইমার্স ডিজিজ এবং কিছু মানসিক রোগ।
বৃদ্ধরা এ রোগে ভালো থাকতে পারেন প্রথম লোডশেডিং করে অর্থাৎ শরীরের ওজন কমাতে হবে, আক্রান্ত অস্থিসন্ধিকে বিশ্রাম দিতে হবে এবং ওই অস্থিসন্ধির ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এ রকম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে; যেমন হাঁটুতে ও হিপে ব্যথা হলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা কম করতে হবে, উঁচু কমোড ব্যবহার করতে হবে, নিচুতে বসা যাবে না, প্রয়োজনে হাঁটার সময় লাঠি ব্যবহার করতে হবে এবং আক্রান্ত স্থানের মাংসপেশিগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম করতে হবে। মাংসপেশি দুর্বল হলে ক্ষয় ও ব্যথা দুটোই বেশি হবে। অস্টিওপোরোসিসে রোগীকে ভালো থাকতে হলে প্রতিরোধের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনসহ আরো কিছু ওষুধ খেতে হবে এবং পর্যাপ্ত ওজনবাহী ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটা ও নামাজ পড়া ওজনবাহী ব্যায়াম। যুবা বয়সে পর্যাপ্ত ব্যায়ামের মাধ্যমে হাড্ডি শক্ত করলে বা এর ঘনত্ব বাড়ালে বৃদ্ধ বয়সে অস্টিওপোরোসিস কম হয়।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।