বাজারে এক, দুই ও পাঁচ টাকার কয়েনের অচলাবস্থা সাধারণ গ্রাহকেরা চরম ভোগান্তিতে: বাড়ছে ভুল বোঝাবুঝি

655

am-picআহাম্মদ আলী: অর্থই অনর্থের মূল, আবার অর্থ ছাড়া শর্ত পূরণও অসম্ভব। কিন্ত এমন অর্থও আজ অকেজো হয়ে দাড়িয়েছে গ্রাহকদের নিকট। এমনকি ভিক্ষাকারী একজন ফকিরও নিতে চাইছেনা এমন অর্থ। মাঝে মধ্যে এমন অর্থ নিতে অস্বীকার করাই হাতাহাতি পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে হাট-বাজারে। বড় বড় কোম্পানী সহ সকল প্রকার ব্যবসায়ী এমনকি ব্যাংক পর্যন্ত নিতে অস্বিকার করছে এক, দুই ও পাঁচ টাকার কয়েন। অগত্যা জমে পড়ে থাকা কয়েন অচল না হলেও ঘোর বিপদে তা চালাতে না পারাই দুর্বিপাকে গ্রাহকগন। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদরের মফস্বল এলাকার হাট বাজারে সদায় পত্র, গাড়ির ভাড়া, ঔষুধ ক্রয় সহ যাবতীয় কেনা কাটায় একেবারেই অচলের খাতায় জমে আছে এক, দুই ও পাঁচ টাকার হাজার হাজার কয়েন। তা নিতে অস্বিকার করছে বড় বড় কোম্পানীর লোক। নিচ্ছেনা গাড়ি চালকেরা, নিচ্ছেনা মুদি দোকান্দাররা, না চলছে কাচা বাজারে, না চলছে ঔষুধের দোকানে এমনকি পথের ফকিরও হাত গুটিয়ে নিচ্ছে এমন কয়েন থেকে। এমন ধাতব মুদ্রার কয়েন সচল না হওয়ার পিছণে কি কারণ কাজ করছে এমন উত্তরও জানা বোঝার বাইরে। সম্প্রতি কিছু কিছু ব্যবসায়ী দু-পাচটা কয়েন নিলেও তা লোহা আকর্শিত চম্বুক দ্বারা জেনে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেক সময় পাঁচ টাকার কয়েনকে জাল বলেও এসব ব্যবসায়ীরা ধারণা দিচ্ছে জনসাধারণকে। গত সপ্তাখানেক আগে এমন কয়েনকে নিতে অস্বীকার করাই বদরগঞ্জ বাজারে হয়ে গেল খানিকটাই হাতাহাতি। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন আকার ধারণ করেছে যে, কয়েনের মধ্যে যেন এক প্রকার ভূত লুকিয়েছে যা দেখে সবাই ভয় পাচ্ছে। বির্তকে অনেক সময় একে অপরের মাঝে বেড়ে যাচ্ছে ভুল বোঝাবুঝি। যা থেকে জন্ম নিতে পারে বড় কিছু। বিধায় বিষয়টি সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই সমাধান দেবেন এমনটাই আশা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের।