বাঙ্গালীর ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজন

266

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পিঠা ও পৌষ উৎসব উদযাপন অনুষ্ঠানে এমপি টগর
ওয়াসিম রয়েল: ‘শীতের পিঠে বেজায় মিঠে’ এই শ্লোগানে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে দর্শনায় পিঠা ও পৌষ উৎসব উদযাপন করা হয়েছে। গতকাল সাড়ে ১০টার দিকে দর্শনা পুরাতন বাজার সোসাইটি চত্তরে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দর্শনা ওমেন্স ক্লাবের আয়োজনে এ উৎসব উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে ওমেন্স ক্লাবের কামরুন নাহার রানী শাহ্র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- এক সময় দেখা যেত পৌষ মাসে গ্রামে গ্রামে নানা রকম পিঠা তৈরি হত। এগুলো ছিলো বাঙ্গালী জাতীর একটি ঐতিহ্য। আজ কালের বিবর্তনে এ ধরনের পিঠা আর দেখা যায় না বললেই চলে। বাঙ্গালীর ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দর্শনা সরকারী কলেজের উপাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম, ওমেন্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক শাহিনা আজাদ, আ. লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি পিঠার দোকান গুলি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। ৩টি পিঠার দোকানের মধ্যে গ্রাম বাংলার পিঠা উৎসব নামের দোকানের পরিচালক ইসরাত জাহান ইমা জানায় তার দোকানে ৪৫ প্রকারের পিঠা রয়েছে। গ্রামীন পিঠাঘরের পরিচালক বিলকিচ খাতুন জানান- তার দোকানে ২৬ প্রকার পিঠা রয়েছে। পারকৃষ্ণপুর পিঠাঘরের পরিচালক লিপি খাতুন জানান- তার দোকানে ২০ রকমের পিঠা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রকারের পিঠা তৈরি করে পুরষ্কার পায় ইমা। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। লোক সংগীত পরিবেশনা করে দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার দর্শনা অফিস প্রধান আওয়াল হোসেনের কন্যা জ্যোতি পুরষ্কার পায়।