বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট শুরু আজ

334

লড়াই কঠিন, টাইগাররা প্রস্তুত

সমীকরণ ডেস্ক: একটি সুখবর দিয়ে শুরু করছি। ফিটনেস টেস্টে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার দু’জনেই পাস করেছেন। তাই সর্বশক্তি নিয়েই আজ মাঠে নামছে টাইগাররা। সঙ্গে তো কোটি ভক্তের শুভকামনা থাকছেই। তাই অনভ্যস্ত কন্ডিশনেও দুরন্ত উদ্যমেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। যদিও প্রতিপক্ষ ভীষণ শক্তিশালী। তবে টাইগারদের সামনে আছে নতুন অর্জনের হাতছানি। উপমহাদেশের বাইরে টেস্ট জয়ের স্বপ্ন নিয়ে নামছেন মুশফিক-তামিমরা। নগর জীবন থেকে একটু দূরে কোলাহলমুক্ত পচেফস্টুমের শেনওয়েস পার্কে আজ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিক-তামিমরা। তবে পচেফস্ট্রুম শান্তশিষ্ট হলেও ঝড় তোলার অপেক্ষায় আছেন রাবাদা-মরকেলরা। তাই বলে মুস্তাফিজ-তাসকিনও বসে থাকবেন না। সামর্থ্য দেখানোর জন্য বাংলাদেশি পেসারদের এটা যে সুবর্ণ সুযোগ।     মুশফিক দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে দেখছেন নতুন পদক্ষেপ হিসেবে। দেশের মাটিতে বাংলাদেশ কেমন দল- সেটি ইতিমধ্যে প্রমাণ হয়ে গেছে। গত বছর ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ক’দিন আগে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ক্রিকেট-বিশ্বকে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে টাইগাররা। সে তুলনায় দেশের বাইরে নিজেদের সামর্থ্য আংশিক প্রমাণ করা গেছে। শ্রীলংকায় শততম টেস্ট জয় নতুন মাইলফলক। তবে উপমহাদেশের ভেতরে সব সাফল্য বলেই ‘আংশিক’ বলা হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় পা দিয়ে অধিনায়ক মুশফিক নিজেই বলেছেন, তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ হলো দেশের বাইরে ভালো খেলা। সে লক্ষ্য অর্জনের লড়াই শুরু করবেন তারা আজ। তবে কাজটা মোটেও সহজ নয়। ইতিহাস বাংলাদেশের পক্ষে নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এখন পর্যন্ত চারটি টেস্টের সব ক’টিতে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। সব খেলাতেই আবার টসে জিতেছিল বাংলাদেশ। শেনওয়েস পার্কে ১৫ বছর আগে খেলেছিল টাইগাররা। ওই টেস্টে জ্যাক ক্যালিসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যের কারণে ইনিংস ও ১৬০ রানে হারতে হয়েছিল। ইতিহাসের সঙ্গে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের সাম্প্রতিক ফর্মও ভয় ধরিয়ে দিচ্ছে। স্বাগতিকদের টেস্ট স্কোয়াডে থাকা প্রায় সব ব্যাটসম্যান ঘরোয়া ক্রিকেটে রান পেয়েছেন। তাই বলা যায়, মুস্তাফিজ-শফিউলদের সামনে বেশ কঠিন সময়ই অপেক্ষা করছে। তবে আগের দুই সফরের চেয়ে এবার যে বাংলাদেশ অনেক ভালো করবে- সে কথা জোর দিয়েই বলা যায়। তবে ব্যাটিংয়েও সাকিবের অভাবটা অনুভূত হবে। কারণ গত কিছু দিন ধরে ব্যাট হাতে যে বেশ ধারাবাহিক ছিলেন সাকিব। এসব চিন্তা এখন করে লাভ নেই। ব্যাটিং-বোলিং উভয় বিভাগেই সাকিবের অভাব বুঝতে না দিলে যে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।