চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ৮ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বহু অপকর্মের হোতা সাংবাদিক মধুর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ সীমান্ত অপরাধে বেপরোয়া সাংবাদিক মধু

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ৮, ২০১৬ ২:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার বহু অপকর্মের হোতা আলোচিত সাংবাদিক জিল¬ুর রহমান মধু অপহরণ মামলার আসামী। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে আগামী ১০নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা কোটে অপহরণ মামলার দিন ধার্য্য আছে। ২০১৪ সালে ঈদের দিন উপজেলার পীরপুর কুল¬া গ্রামের রহমান মেম্বরের নাতী ছেলে অপহরণের পর পুলিশ উদ্ধার করে। এ মামলা ৪/৫জন আসামীর মধ্যে জিল¬ুর রহমান মধু একজন আসামী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা ও এলাকাবাসী জানায়, কথিত সাংবাদিক জিল¬ুর রহমান মধু কার্পাসডাঙ্গা ও সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে চাঁদাবাজী, চোরাকারবারী, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ নানা অপকর্মের  সাথে যুক্ত এবং সহযোগী হিসাবে কাজ করে আসছে। পুলিশ ও প্রশাসনের গতিবিধি ফোনে জেনে নিয়ে চাঁদাবাজী, চোরাকারবারী, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণকারীদের জানিয়ে থাকে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। গত ০৭/০২/২০১৬ তারিখে দিনগত রাত ১টার দিকে কার্পাডাঙ্গা মিশনে ডাকাতির ঘটনায় কথিত সাংবাদিক মধু ভারতে নোলুয়া পাড়ায় অবস্থানরত ডাকাত সর্দ্দার আমির হোসেনের সাথে ডাকাতির আগে ও পরে ২২বার কথা বলেছে- এমন প্রমান তার মোবাইল ফোনের কললিষ্টে পাওয়া গেছে বলে পুশিল ও সাংবাদিকরা জানান। এছাড়া কার্পাসডাঙ্গা ইট ভাটায় চাঁদা চাওয়া, ৫০০বোতল ফেন্সিডিল নিয়ে কোটচাঁদপুরে গ্রেফতার, মুন্সিপুর কার্পাডাঙ্গা সড়কে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে সাথে মধুর উপস্থিতি পুলিশকে হতবাক করেছে। ঐ একই সড়কে গোরস্থানের নিকটে জনৈক চোরাকারবারীর সাথে কথা বলার সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মধু পালিয়ে যায়। পরে এসে পুলিশের পা ধরে মাফ পায়। এছাড়া এলাকাবাসী জানায়, মধু এলাকায় কোথায় চাদাঁবাজি করতে হবে, কোথায় ডাকাতি করতে হবে এসব জায়গা রেকি করে পুলিশ কখন কোথায় থাকবে তা নিশ্চিত করে ঐ সন্ত্রাসীদের জানাতো বলে একটি সুত্রে জানা গেছে। এছাড়া কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় যেখানে যা ঘটুক, আর যত রাতই হোক না কেন মধুকে সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত  হতে দেখা গেছে বলে অনেকেই জানান। (চলবে…….)

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।