চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ২৩ জুন ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুন ২৩, ২০২২ ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদন:
সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে সাশ্রয়ী মূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১ কোটি নিম্নআয়ের উপকারভোগী পরিবারকে ভর্তুকি মূল্য টিসিবির পণ্য (ডাল তেল ও চিনি) বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এটি চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। তবে বন্যার কারণে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় বিক্রি শুরু হবে ২৬ জুন। সিলেট বিভাগের জেলাগুলোয় আপাতত পণ্য বিক্রি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সিলেট বিভাগে বিক্রির তারিখ পরে জানানো হবে।
প্রায় দুই মাস বিরতির পর বুধবার থেকে ফের শুরু হয়েছে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। তবে এবার আগের মতো ট্রাকে নয়, শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য মিলছে। রাজধানীতে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্ধারিত টিসিবির ডিলারের দোকান অথবা স্থায়ী স্থাপনায়। কিন্তু বিক্রি শুরু হলেও অধিকাংশ ওয়ার্ড কমিশনার এখনো ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শেষ করতে পারেননি। ফলে ফ্যামিলি কার্ড প্রস্তুত না হওয়ায় শুরুতেই বিড়ম্বনার মুখে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ। টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ১৩ লাখ সুবিধাভোগী পরিবার টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড পাবে। তবে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৬০ শতাংশ কার্ড বিতরণ হয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিতরণের থেকে কম। সিটি করপোরেশন কার্ড দিতে দেরি করায় পণ্য বিতরণের সময় কয়েক দফা বাড়িয়ে শেষ ৩০ জুন করা হয়েছে। এর মধ্যে যেসব ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে, তাদের বরাদ্দ দেয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ড প্রস্তুত কার্যক্রমের শুরুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছিল, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা তৈরি করে সিটি করপোরেশনের সমন্বয় ও তদারকি কমিটিতে জমা দিতে হবে, যা যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ মে’র মধ্যে ওয়ার্ড পর্যায়ে সুবিধাভোগী পরিবারের হাতে থাকার কথা ছিল। তবে সেটি বিলম্বিত হয়ে এখন ৩০ জুনে হয়েছে। সে কারণে এখন পর্যন্ত কতটি কার্ড তৈরি হয়েছে তার কোনো সঠিক তথ্য পায়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কিংবা টিসিবি। টিসিবি জানায়, পণ্য বিক্রি কার্যক্রমে প্রতিকেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬৫ টাকা এবং সয়াবিন তেল ১১০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। একজন ভোক্তা এক দফায় সর্বোচ্চ এক কেজি চিনি, ২ কেজি মসুর ডাল ও ২ কেজি সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন। ঢাকায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য ৬ লাখ এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের জন্য ৫ লাখ কার্ড বরাদ্দ করা হয়েছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।