চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ৪ ডিসেম্বর ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রেমিকের পর প্রেমিকার আত্মহত্যা

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ৪, ২০২০ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

হিন্দু যুবকের সাথে মুসলিম কিশোরীর প্রেম, পরিবারের বাধা
প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে হিন্দু প্রেমিক সুমন বিশ্বাসের (২৪) আত্মহত্যার দুই দিন পর এবার আত্মহত্যা করল মুসলিম প্রেমিকা মিনা আক্তার (১৭)। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে মিনা আক্তার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। নিহত সুমন বিশ্বাস ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাতলামারি গ্রামের কৃষ্ণপদ বিশ্বাসের ছেলে ও মিম আক্তার একই এলাকার মকবুল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাতলামারী গ্রামে কসমেটিক্স দোকানি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সুমনের সঙ্গে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মিনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ ঘটনা জানাজানি হলে দুই পরিবারের সদস্যরা প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। একপর্যায়ে মিনা সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গত সোমবার দিবাগত রাতে সুমন তাঁর দোকান বন্ধ করে লুকিয়ে মিনার বাড়িতে দেখা করতে যায়। সেখানে মিনা এ সম্পর্ক শেষ করতে চাইলে সুমন মিনার একটি ওড়না নিয়ে পাশের একটি বাগানে গাছের সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরদিন মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে, প্রেমিকের আত্মহত্যার ব্যথা সহ্য করতে না পেরে গতকাল ভোরে নিজ ঘরে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে মিনা। গতকাল বেলা ১১টার দিকে পুলিশ নিহত মিনার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে কাতলামারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আনিচুর রহমান জানান, মিনা আক্তারের সঙ্গে সুমন বিশ্বাসের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু পারিবারিকভাবে এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় মঙ্গলবার সুমনের মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার ভোরে মিনা গলাই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, নিহত দুজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।