চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২৫ আগস্ট ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রবন্ধ লিখলেই মিলবে ১৩ একরের ফার্মহাউস

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ২৫, ২০১৭ ৫:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিস্ময় ডেস্ক: ১৩ একর চাষযোগ্য জমি ও ফার্মহাউস। স্থপতিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেও ১৮ বছর ধরে একাই সামলেছেন জৈব চাষ। কিন্তু আর নয়, এবার শহুরে জীবনে ফিরে যেতে চান বেনেট শহর নিবাসী নরমা বার্নস। তাই ব্লু-বার্ড হিলের ফার্মহাউসটির দায়িত্ব তুলে দিতে চান অন্য কারোর হাতে। কিন্তু কাকে দেবেন? শেষ পর্যন্ত অবশ্য বের করেছেন একটি অভিনব উপায়।
কেন তার ফার্মহাউসটি কিনবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে ২০০ শব্দের প্রবন্ধ লিখতে হবে। এরপরেই প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার বিজয়ীর হাতে তুলে দেবেন চাবি। তবে শর্ত রয়েছে, প্রতিযোগিতার অংশ নিতে দিতে হবে ৩০০ ডলার আর যারাই প্রবন্ধ পাঠাবেন তাদের বিবাহিত হতে হবে। দেখা গিয়েছে একা কেউ এতবড় জায়গাটি সামলাতে বা চাষ-আবাদ করতে পারবেন না। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নরমা। বার্নসের কথায়, ‘চাষ-আবাদ করতে আমার খুব ভালো লাগে। তাই আমি এমন লোকজনকে খুঁজছি, যাদের এই সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং পুরো জায়গাটির ঠিকমতো খেয়াল রাখবেন। এছাড়া তাদের অনেক পরিশ্রমও করতে হবে। কারণ চাষ-আবাদটা যে আসলে পরিশ্রমেরই কাজ।’
নরমা বার্নস ও তার স্বামী বব বার্নস ১৮ বছর আগে ১৩ একর জায়গাটি কেনেন। বব নর্থ ক্যারোলিন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করতেন। নরমা বলেন, ‘আমি এবং আমার স্বামী যখন জমিটি কিনি, তখন এখানে ছাদহীন শস্যঘর, একটি পোড়ো বাড়ি এবং আশপাশে আগাছাভর্তি বাগান ছিল। সেখান থেকেই আমরা একটি সুন্দর বাড়ি তৈরি করি। আশপাশে জৈব চাষ শুরু করি। তাই আমি চাই এমন কেউ দায়িত্ব নিক, যে আমার মতোই এটির খেয়াল রাখবে।’ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে তিনজনকে নিয়োগ করেছেন তিনি। তারাই প্রবন্ধগুলো দেখে বিজয়ী ঠিক করবেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।