চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ৫ জুলাই ২০২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাননি রনজু খাতুন

সমীকরণ প্রতিবেদন
জুলাই ৫, ২০২১ ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

ঝিনাইদহ অফিস:
বাড়ির কাছে যখন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর তৈরি হচ্ছিল, তখন আশায় বুক বেধেছিল বিধবা রনজু খাতুন। আবাসন এলাকায় গিয়ে নির্মিত ঘরগুলো দেখতো। কিন্তু রনজু খাতুনের সে আশা পূরণ হয়নি। এলাকায় সবাই ঘর পেলেও রনজুর ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর। এমনকি দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বয়স্ক ভাতা ও ভিজিডির র্কাড পাননি রনজু খাতুন। রনজু খাতুনের এই ঘোরা এখনো শেষ হয়নি। এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান ও নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে যান ঘরের জন্য, ভাতার জন্য। রনজু খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বানিয়াকান্দর গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
খোজঁ নিয়ে জানা যায়, রনজু খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সে বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন। এখন বয়স ষাটের কাটা পার হয়েছে। কাজ করতে পারেন না। মাথা গোজার একখন্ড জমি বা ঘরও নেই তাঁর। পরের জমিতে রনজু খাতুন নাতি-নাতনী নিয়ে বসবাস করেন। অসচ্ছল পরিবার হওয়ায় দিন চলে অর্ধাহারে-অনাহারে।
রনজু খাতুন জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর পাগলাকানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের কাছে একাধিকবার ঘুরেছেন। সরকারি প্রণোদনা পাননি। এখন একটি ঘরের জন্য ঘুরছেন। তিনি জানান, পাগলাকানাই ইউনিয়নের ফকিরাবাদ গ্রামে ভূমিহীন পরিবারের জন্য আবাসন হলেও, তাকে একটি ঘর দেওয়া হয়নি। যারা তদবির করেছেন কেবল তারাই ঘর পেয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে পাগলাকানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘর রবাদ্দ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সেখানে আমার কোন হাত নেই। তবে এ বছর শতভাগ ভাতা দেওয়ার কাজ চলছে। রনজু খাতুন তালিকা ভুক্ত হবেন। তিনি বয়স্ক অথবা বিধবা ভাতা পাবেন।

Girl in a jacket

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।