প্রতিদিনই ঘটছে বিপত্তি : এক সপ্তাহে ৩৫ জন আহত

339

দর্শনা পৌর এলাকায় বেড়েছে বেওয়ারিশ ক্ষ্যাপা কুকুরের উৎপাত
দর্শনা অফিস: দর্শনা পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ ক্ষ্যাপা কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বেওয়ারিশ ক্ষ্যাপা কুকুর নিধনে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী। জানা গেছে, দর্শনা পৌর এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে ও মহল্লায় বেওয়ারিশ ক্ষ্যাপা কুকুরের উৎপাতে চলাচলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকার জনজীবন। প্রতিদিনই ঘটছে বিপত্তি। বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যর ভিত্তিতে জানা যায় গত এক সপ্তাহে নাম জানা ১২জনেরসহ অজ্ঞাত আরো ৩৫ জনের মতো মানুষের কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌর কাউন্সিলর রবিউল হক সুমন। এর মধ্যে দর্শনা পৌর এলাকা অজিমপুরের রশিদের ছেলে আরিফ, বেন্দর ব্যাপারীর ছেলে জোর হোসেন, মমিনের ছেলে সিরাজ উদ্দিন, তৈয়ব আলী, আবুল খায়ের, কামালের কন্য, পুরাতন বাজার হিন্দু পাড়ার মানা সর্নকারের ছেলে, দক্ষিন চাঁদপুরের গ্যাং কোয়াটার পাড়ার মালেকের স্ত্রী, রামনগরের হাওয়া খাতুন ও মদন বাবুর ছেলে রাবন, পরানপুরের কবির।
এদের মধ্যে কেউ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে আবার কেউ ফার্মেসী থেকে ভেক্সিন নিয়ে নিজ এলাকায় চিকিৎসা নিচ্ছে। সর্বশেষ গতকাল ইসলাম বাজারের আ: বারীর ছেলে শফিউদ্দিন (৪০) কে একটি ক্ষ্যাপা কুকুর কামড়ে গুরুতর আহত করে। শফিউদ্দিন জানায়, সে গতকাল সকাল ৭টার দিকে নিজ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে দর্শনা চটকা তলায় সম্পা ফার্নিচারের দোকানে আসার সময় একটি ক্ষ্যাপা কুকুর তার পায়ে এসে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। এছাড়া প্রতিনিয়ত গরু, ছাগল, হাঁস মুরগী কামড়ানোর ঘটনা ঘটেই চলেছে। এ বিষয়ে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসান খালেকুজ্জামান খালেক বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রালয় থেকে একটি চিঠি এসেছে সেখানে জীব হত্যা মহা পাপ। তাই কোন কুকুর নিধন করা যাবে না তবে কুকুরের যাতে প্রজনন ক্ষমতা না থাকে সেরকম কোন ভ্যাক্সিন দেওয়ার ব্যাবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন। এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমন বলেন বেওয়ারিশ কুকুর নিধন প্রক্রিয়া সরকারী ভাবে নিষেধ রয়েছে। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কিছু করার নেয়।