প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত যদুপুরের হাফেজ বিল্লাল এখনো পলাতক

26

দর্শনা অফিস:
চুয়াডাঙ্গা সদরের বেগমপুর ইউনিয়নের যদুপুর গ্রামের হাফেজ বিল্লাল হোসেন প্রতারণা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে এখন পলাতক। দর্শনা পরাণপুর গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে সালাউদ্দিন জানান, বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর আওতাধীন মেডিক্যাল কোরে (সিএমএইচ)-এর ওয়ার্ড-বয়ের চাকরি দেওয়ার নামে ৮ লাখ দাবি করে হাফেজ বিল্লাল হোসেন। আমি এসময় জমি বিক্রির ৭ লাখ টাকা ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল তারিখে ২ শ টাকার স্ট্যাম্পে লিখে তার হাতে তুলে দিই। টাকার নেওয়ার পর থেকেই সে আমাকে ঘোরাতে থাকলে আমি চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টে একটি প্রতারণামূলক মামলা দায়ের করি। এরপর সে মামলা চলাকালীন সময়ের মধ্যে ২০১৫ সালের ২৮ মে জোয়ার্দ্দার আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি ভুয়া নিয়োগপত্র আমাকে দেই। নিয়োগপত্রটি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাদানের জন্য গেলে কর্তৃপক্ষ নিয়োগপত্রটি ভুয়া ও জাল বলে উল্লেখ করেন। যাহোক দীর্ঘ ৮ বছর মামলা চলার পর ২০১৯ সালের ১১ জুলাই তারিখ চুয়াডাঙ্গা ২য় আদালতের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট মানিক দাস ৪২০ ধারায় এই মামলায় ১ বছরের জেল, এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ মাসের জেল দিয়ে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের পর থেকেই প্রতারক হাফেজ বিল্লাল হোসেন ফেরারি হয়ে আজও পলাতক রয়েছেন।