চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ১৯ জানুয়ারি ২০২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রকাশ্যে নুসরাতের নতুন প্রেম

সমীকরণ প্রতিবেদন
জানুয়ারি ১৯, ২০২১ ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিনোদন ডেস্ক:
টালিউডে একের পর এক ভাঙনের সুর। একদিকে বেজে চলেছে শ্রাবন্তী আর রোশান সিংয়ের বিচ্ছেদের রাগিণী। অন্যদিকে আলাদা থাকছেন নুসরাত জাহান আর নিখিল জৈন। ভারতের বাংলা ছবির জনপ্রিয় তারকা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার নবনির্বাচিত সদস্য নুসরাত জাহান। বেশ কিছুদিন হলো স্বামীর ঘর ছেড়ে মা–বাবার সঙ্গে থাকছেন নুসরাত। নিখিলের সঙ্গে সর্বশেষ পোস্ট দিয়েছেন ২০২০ সালের ৬ মে। এরপর ইনস্টাগ্রামে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে আর কোনো পোস্ট দেননি তিনি; বরং নুসরাত আর নিখিল দুজনই দুজনকে ‘আনফলো’ করে দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামে। এদিকে শোনা যাচ্ছে, নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন নুসরাত। তাঁর নয়া প্রেমিক আর কেউ নন, যশ দাশগুপ্ত। ২০২০ সালের জুলাইয়ে ‘এসওএস কলকাতা’ ছবির শুটিংয়ের সময় ঘনিষ্ঠতা বাড়ে যশ আর নুসরাতের। এরপর যশের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে নুসরাতকে। কিছুদিন আগেই রাজস্থানে ঘুরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো লুকোছাপাও করেননি। দিব্যি ছবি দিয়ে নিজেরাই জানিয়েছেন। নুসরাত আর যশ ইনস্টাগ্রামে নিজেদের ছবি পোস্ট করেছেন। যখন নুসরাত আর যশের প্রেম নিয়ে সমালোচনা চলছে, তখনই নিজেদের একটি রোমান্টিক ছবি পোস্ট করে নুসরাত ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘লোকে তো কথা বলবেই।’ অন্যদিকে নুসরাতের নতুন প্রেম নিয়ে যখন বইছে সমালোচনার বন্যা, তখনো পাশে আছেন নিখিল। সবাইকে অনুরোধ করেছেন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো মন্তব্য না করতে। ২০১৯ সালের ১৯ জুন তুরস্কের রোমান্টিক বন্দর শহর বোদরুমের সিক্স সেন্সেস কাপলাঙ্কায়া রিসোর্টে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান ও নিখিল জৈন। কলকাতার ছেলে নিখিল পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী। তবে চলচ্চিত্রের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এমপি বিড়লা ফাউন্ডেশনে পড়াশোনার পর যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্টের ওপর পড়াশোনা করেছেন। ২০১৮ সালে পূজায় ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের শাড়ির ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মুখ হয়েছিলেন নুসরাত জাহান। এই কাজের সূত্রেই তাঁদের পরিচয়। অল্প দিনেই সম্পর্ক গাঢ় হয়। এরপর তাঁরা দুজনে মিলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।