চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ২৫ জুলাই ২০১৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পৌর কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের ৫ ঘন্টা কলম বিরতি

সমীকরণ প্রতিবেদন
জুলাই ২৫, ২০১৭ ৫:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর বেতন ভাতা ও পেনশন সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়ার দাবীতে
পৌর কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের ৫ ঘন্টা কলম বিরতি
নিজস্ব প্রতিবেদক: বেতন ভাতা ও পেনশন সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়ার দাবিতে চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দর্শনা ও জীবননগর পৌরসভায় কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা ৫ ঘন্টা কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের সকল পৌরসভার সাথে একযোগে এ কর্মবিরতি পালন করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বক্তারা তাদের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন। বর্তমান সরকার তাদের ন্যায্য দাবী মেনে নিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও পেনশন প্রদান করবেন এটাই তাদের প্রত্যাশা। অন্যথায় বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেবেন পৌর কর্মকর্তা ও কর্মচারী নেতারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুশিয়ারী প্রদান করা হয়। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের কর্মসূচি পালন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি প্রকৌশলী আয়ুব আলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, সহকারি প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান কাউসার, প্রধান অফিস সহকারি আশাবুল হক বিশ্বাস, সংগঠনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন, প্যানেল মেয়র একরামুল হক মুক্তা, কমিশনার সিরাজুল ইসলাম মনি প্রমূখ।
দর্শনা অফিস জানিয়েছে, পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দর্শনা পৌরসভায় গতকাল সকাল ৯টা হইতে বেলা ১টা পর্যন্ত  কর্মবিরতি পালিত হয়েছে। দর্শনা পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহ আলমের সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার সকাল ৯টা হইতে বেলা ১টা পর্যন্ত পৌরসভার কাজ কর্ম বন্ধ রেখে দর্শনা পৌরসভার সামনে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা অবস্থান নেয়। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচির অংশ হিসাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পেনসন সহ শতভাগ বেতনভাতা প্রাপ্তির দাবীতে এই কর্মসূচি পালন করে। আন্দেলনকারীরা দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সকল কর্মসূচির পালন করবে বলে বক্তারা জানান। কর্মবিরতি চলাকালিন সময় বক্তব্য রাখেন, দর্শনা পৌর কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ রুমি আলম পলাশ, কর নির্ধারক সরওয়ার হোসেন, কার্য সহকারী হারুন অর রশিদ, লাইন্সেস পরির্দশক মমিনুল ইসলাম, কর আদায়কারী আরিফিন হোসেন,সহকারী কর আদায়কারী জাহিদুল ইসলাম, কাউন্সিলর আম্বিয়া খাতুন, কাউন্সিলর জাহানারা বেগম, কাউন্সিলর কাঞ্চন মাততবর, কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, কাউন্সিলর মঈনউদ্দীন আহমেদ মন্টু, মনির হোসেন,তছের আলী,আজাদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, মোমিনুল হক প্রমূখ।
জীবননগর অফিস জানিয়েছে, বাংলাদেশ পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশন জীবননগর শাখার উদ্যোগে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্টীয় কোষাগার থেকে পেনশন সহ শতভাগ বেতন ভাতার দাবীতে অবস্থান কর্মসুচি পালন করেছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত  জীবননগর পৌর সভার সামনে এই অবস্থান কর্মসুচি পালন করেন। বাংলাদেশ পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশন জীবননগর শাখার সভাপতি আবুল কালাম আযাদ   বলেন, আমাদের একটাই দাবী সরকার না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তিনি। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এ্যসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদা খাতুন, উপদেষ্ঠা ও জীবননগর পৌর সচিব জায়েদ হোসেন, ওসমান গনি, সরাফাত হোসেন, বিলকিস খাতুন প্রমূখ। এদিকে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবিতে একমত প্রকাশ করেন জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পেনশন সুবিধা সরকারী কোষাগার থেকে পাওয়া দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মেহেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্ধ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে পৌরসভার কর্মচারীরা পৌর চত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। পৌর সচিব তোফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান রিটন, কাউন্সিলর আল মামুন প্রমূখ। এসময় সেখানে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন আর রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, সহকারি কর আদায়কারি সফিউদ্দিন, প্রশিক্ষক সানোয়ার হোসেন দিপুসহ পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্ধ দিবস কর্মবিরতিতে অংশ নেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।