চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ২৮ ডিসেম্বর ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পৌরসভা দখলের লড়াই আজ, কে হচ্ছেন নতুন পৌর পিতা?

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৮, ২০২০ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রথম ধাপের পৌর নির্বাচন : সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, চুয়াডাঙ্গাসহ ২৪ পৌরসভায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ

প্রশাসন বলছে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে : ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান প্রার্থীদের
মেহেরাব্বিন সানভী:
প্রথম ধাপে চুয়াডাঙ্গাসহ আজ ২৪ পৌরসভায় নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন আওয়ামী লীগের নৌকা ও বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থীরা। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। এ ভোট নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি কিছুটা শঙ্কাও রয়েছে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে। নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। এ ধাপে সব পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হবে। গতকাল সব ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ইসি। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। করোনাকালে এ নির্বাচনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনাও দিয়েছে কমিশন। ভোট দেওয়ার আগে-পরে ভোট কেন্দ্রে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। প্রথম ধাপে ২৪ পৌরসভায় ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ শুরু হচ্ছে তৃণমূলে এ ভোট উৎসব। চার ধাপে এ নির্বাচন শেষ করবে কমিশন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো পৌরসভায় দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। এবারও তৃণমূলের এ নির্বাচনে মূল লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে। তবে ভোটের মাঠে ছয় রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থী থাকলেও বেশ কিছু পৌরসভায় শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দলীয় প্রতীকে একযোগে দেশব্যাপী ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচন হলেও এবার চার ধাপে এ নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে ২০ দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছিল। ভোট পড়েছিল ৭৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। প্রথম ধাপে ২৪ পৌরসভায় ৬ লাখ ২৪ হাজার ৮০৭ জন ভোটার জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেবেন। তারা ২৪ জন মেয়র, ৭২ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও ২১৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। এ নির্বাচনে তিন পদে মোট ১১৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে মেয়র পদে ৯৪ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২৬৬ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮০১ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন।
এদিকে, আজ চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন। প্রতিটি অলিগলির চায়ের দোকান থেকে হাটবাজারে সর্বত্র ভোটের আলোচনা-সমালোচনার সময় শেষ হয়েছে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সময় এসেছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্র ভোটগ্রহণের সকল মালামাল পৌঁছে গেছে। এখন দিন শেষে কে হবেন চুয়াডাঙ্গা পৌর পিতা, সেই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে বেগ হবে না বেশি, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই জানা যাবে নতুন পৌর পিতার নাম।
এদিকে, ভোট গ্রহণ উপলক্ষে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি কেন্দ্রসহ শহরের অলি-গলি-বাজার সাজানো হয়েছে পোস্টারে পোস্টারে। বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ঝুলছে ব্যানার-ফেস্টুন। সবমিলিয়ে ব্যাপক উৎসব এবং উদ্দীপনার মধ্যেই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘন বা বিচ্ছৃঙ্খলা হলে, নেওয়া হবে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও নির্বাচনের রির্টানিং অফিসারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকেই দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা।
ইভিএমে ভোট গ্রহণ নিয়ে নির্বাচন কমিশন বলছে, কোনো প্রকার ভোট কারচুপি সম্ভব নয়। তাদের ভাষ্যমতে, ইভিএমের নির্বাচন একশ শতাংশ স্বচ্ছ। এই নির্বাচনে কোনোভাবেই কোনো প্রকার কারচুপি করার সুযোগ নেই।
জেলা নির্বাচন অফিসার ও পৌর নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার তারেক আহমেমদ জানান, ভোট শুরু হওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পূর্বে ইভিএমে মেশিনটি খুলবে। এর আগে, কোনোভাবেই এটি খোলা সম্ভব না। খোলার পর এটিতে পোলিং ভোট শূন্য দেখাবে। বাইরে একটি মনিটর দেওয়া হবে। যতজন ভোট দিবেন, ততটি ভোট পোল দেখাবে। সুতরাং, কোনোভাবেই কারচুপি করা যাবে না। প্রত্যেক ভোটার নিজের নিজের ভোট দিতে পারবে। একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না। একজন একবারই ভোট দিতে পারবে। এই মেশিনটি কেউ যদি ছিনতাই করে, বা কেন্দ্র দখল করে নিয়ে যায়, তাতেও কোনো লাভ নেই। বাড়ি নিয়ে যাবে, ভেঙে ফেলবে, তাতেও কোনো লাভ হবে না। তবে তাতে জেল জরিমানা হতে পারে। তাই, ভোট কেন্দ্র দখল করে লাভের পরিবর্তে হবে লোকশান। সম্পূর্ণ একশ শতাংশ স্বচ্ছ, অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম সরকার জানান, এর আগেও চুয়াডাঙ্গায় কয়েকটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এবারের নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, সেটা আমি আশ্বস্ত করছি। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ইভিএম মেশিন ম্যানুয়ালের থেকে অনেক ভালো। স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নির্বাচনের অল্প সময়ের মধ্যে সুন্দর করে রেজাল্ট পাওয়া যাবে। কোনোভাবেই কারচুপি করার কোনো সুযোগ নেই। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার, আপনাদের জন্য আশির্বাদ-স্বরুপ।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার ইতোমধ্যে নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী পুলিশ অফিসার ফোর্সদের সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কারও গাফলতির কারণে অবাধ ভোট গ্রহণ বিঘ্নিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পরিশেষে পুলিশ সুপার সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটের সঙ্গে সংশ্লি¬ষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ভোটারসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। নির্বাচনে বিশৃঙ্খলাকারী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে এবারে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী জাহাঙ্গির আলম মালিক খোকন নৌকা প্রতীক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি ধানের শীষ প্রতীক ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনিত প্রার্থী তুষার ইমরান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মজিবুল হক মালিক মজু (মোবাইল ফোন), মুনিবুল হাসান (নারিকেল গাছ), তানভীর আহমেদ মাসরিকী (কম্পিউটার) ও সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদ (জগ) প্রতীকে ৭ জন মেয়র প্রার্থী, ৬৪ জন কাউন্সিলর ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৩ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। প্রচার-প্রচারণায় নৌকা, ধানের শীষ এবং মোবাইল এগিয়ে আছে বলেই গুঞ্জন।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে মোট ১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ জন। ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শাহিনা আক্তার (চশমা), নাসরিন পারভীন (জবা ফুল), চাঁদনি খাতুন (অটোরিক্সা) ও সুফিয়া খাতুন (আনারস)। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড মিলে ২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিলকিস নাহার (চশমা), সুলতানা আঞ্জু (আনারস), হাসিমা খাতুন (টেলিফোন)। ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মিলে ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শেফালী খাতুন (চশমা), শাহানা খাতুন, মোমেনা খাতুন (জবা ফুল), জাহানারা খাতুন (আংটি), জাহানারা বেগম (অটোরিক্সা) ও আন্না খাতুন (আনারস)।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে স্ক্রু ড্রাইভার প্রতীকের প্রার্থী বিল্লাল হোসেন বেল্টুর মৃত্যুর কারণে ভোট আপাতত স্থগিত করেছে নির্বাচর কমিশন। তবে অন্য ৮টি ওয়ার্ডে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এরমধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৯ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- মুন্সি রেজাউল করিম খোকন (গাঁজর), আবুল কালাম (পানির বোতল), আব্দুল আজিজ জোয়ার্দ্দার (ডালিম), আজিজুর রহমান (পাঞ্জাবি), কামরুজ্জামান বাবলু (উটপাখি), মহিবুল ইসলাম (ব্লাক বোর্ড), আলী হোসেন (ব্রিজ), খায়রুল হক (ঢেঁড়শ), ও আজম আলী মিলন (টেবিল ল্যাম্প)।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- মহলদার ইমরান রিণ্টু (পানির বোতল), আলমগীর হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), জাহিদ হোসেন জুয়েল (ডালিম), নাজরিন পারভীন (পাঞ্জাবি), জাহিদুল ইসলাম (উটপাখি), আমিরুল ইসলাম (ব্রিজ) ও শরিফ আহমেদ (গাঁজর)।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- শেখ সেলিম (ডালিম), মাফিজুর রহমান মাফি (টেবিল ল্যাম্প), দেলোয়ার হোসেন দয়াল (পাঞ্জাবি) ও তারিকুজ্জামান (উটপাখি)।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- গোলাম মোস্তফা শেখ (ডালিম), নাজমুল হক মিণ্টু (ব্লাক বোর্ড), মুন্সি আলাউদ্দীন আহমেদ (ব্রিজ), সাইফুদ্দিন (পানির বোতল), আলম (উটপাখি), শাহীনুর রশিদ (পাঞ্জাবি) ও মিজানুর রহমান (টেবিল ল্যাম্প)।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- আব্দুল মান্নান জোয়ার্দ্দার (ব্রিজ), মোনাজাত শেখ (ডালিম), আজাদ আলী (পানির বোতল), আলামিন ইসলাম (উটপাখি), রফিকুল ইসলাম (গাঁজর), ফরজ আলী শেখ (পাঞ্জাবি), রাশেদুল হাসান (টেবিল ল্যাম্প)।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৮ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- খালিদ মণ্ডল (ডালিম), উজ্জ্বল হোসেন (পাঞ্জাবি), মজনুল হক (টেবিল ল্যাম্প), আবুল হোসেন (উটপাখি), সুমন হোসেন (গাঁজর), সাইফুল আরিফ বিশ্বাস (ব্লাক বোর্ড), আশাবুল হক (ব্রিজ) ও জয়নাল আবেদীন (পানির বোতল)।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- সাইফুল ইসলাম (গাঁজর), আহসান (পাঞ্জাবি), ফিরোজ শেখ (ব্লাক বোর্ড), শের আলী বিশ্বাস (উটপাখি), টুটুল মোল্লা (ডালিম) ও আবু কাউসার বিশ্বাস (পানির বোতল)। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- সাংবাদিক কামরুজ্জামান চাঁদ (টেবিল ল্যাম্প), আমান উল্লাহ (উট পাখি), ইব্রাহিম শেখ ইমরান (পানির বোতল), আতিয়ার রহমান জোয়ার্দ্দার (ডালিম), সুমন আহমেদ (ব্লাক বোর্ড), আলাউল ইসলাম (পাঞ্জাবি), মফিজুর রহমান (ব্রিজ) ও শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার (গাঁজর)।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার এ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর এই নির্বাচনে ভোটাররা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি কেন্দ্রের সবগুলোতে ইভিএমে ভোট প্রদান করবেন। তবে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ নিয়ে কোনো কোনো প্রার্থীর চোখেমুখে শঙ্কার ছাপ দেখা দিলেও নির্বাচন কমিশন বলছেন, ‘ইভিএমে কোনো ধরনের জালিয়াতি করা সম্ভব না। তাই শঙ্কার ভাবনা অমূলক।’
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা পৌর নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭৭৪ জন। যার মধ্যে পুরুষ ৩২ হাজার ৮০৪ জন ও নারী ৩৪ হাজার ৯৭০ জন। ভোট কেন্দ্র ৩৩টি। এবার প্রথম ইভিএম-এর মাধ্যমে আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর সকাল থেকে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।