পৌরসভাকে মডেল পৌরসভায় রুপান্তরে উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে

324

Chuadanga PouroShovaচুয়াডাঙ্গা পৌরসভার বাজেট ঘোষণা ও নগর সমন্বয় কমিটির বিশেষ সভায় পৌর মেয়র জিপু চৌধুরী
পৌরসভাকে মডেল পৌরসভায় রুপান্তরে উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও নগর সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় পৌরসভা মিলনায়তনে এই উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও নগর সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আবু বকর বিশ্বাস ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত ৪৯ কোটি ৬১ লক্ষ ৩৯ হাজার ১শত টাকার বাজেট ঘোষনা করেন। বাজেটে রাজস্ব খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ৮৯ লাখ ০২ হাজার টাকা। সরকারি অনুদান প্রাপ্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ০৫ লক্ষ টাকা। এছাড়াও প্রকল্প বাবদ আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ৯৪ লক্ষ ০২ হাজার টাকা। বাজেটে রাজস্ব উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ৬৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ১ শত টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে পৌরসভার উন্নয়ন খাতে যা মোট বাজেটের ৭৮.০৫ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও নগর সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু। এ সময় বাজেটের আয় ব্যয়ের উপর আলোচনা করেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম ইস্রাফিল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আহম্মেদ, ইউজিআইআইপি-৩ প্রকল্পের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী আক্তারুজ্জামান, সমাজসেবক নাসির আহাদ জোয়ার্দ্দার, নগর উন্নয়ন কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম। এ সময় নগর উন্নয়ন কমিটির সদস্য গোলাম মর্তজা, রুমা খাতুন ও নিরাহন খাতুনসহ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলররাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে প্রস্তাবিত বাজেটের কিছুটা সংযোজন এবং পৌর এলাকার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। উপস্থিত সকলের প্রশ্নের ব্যখ্যা প্রদান করেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আয়ুব আলী বিশ্বাস ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর বিশ্বাস। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন- পৌরসভার সচিব কাজী শরিফুল ইসলাম।
সমাপনী বক্তব্যে পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু বলেন, আমি পৌর পিতা হিসেবে নয়, পৌর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। তাই বাজেট সভার পূর্বে প্রতিটি ওয়ার্ডের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় এবং কাউন্সিলরবৃন্দের সাথে আলোচনা করেছি। ওয়ার্ড কমিটি ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর সমস্যা ও চাহিদা লিপিবদ্ধ করে তারপর বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামীতে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাকে মডেল পৌরসভায় রুপান্তর করার লক্ষে আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার, আধুনিক ট্রাক টার্মিনাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকিকরন ও আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা আছে।
তিনি আরো বলেন, দেশের প্রতিটি পৌরসভার উন্নয়ন পৌর নাগরিকদের কর প্রদানের উপর নির্ভর করে। তাই উপস্থিত সকলকে পৌরকর প্রদানসহ অন্যদের কর প্রদানে উৎসাহিত করতে আহ্বান জানাচ্ছি।