পূর্বাশা পরিবহন থেকে গরু বিক্রির টাকা উধাও!

28

আলমডাঙ্গা অফিস:
গরু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার সময় পূর্বাশা পরিবহনের এসি বাসে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে বাসের সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার এ ঘটনাটি ঘটেছে। ছিনতাইয়ের কবলে পড়া ব্যক্তিরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আলাউদ্দিন (৩২), একই গ্রামের বাকের আলীর ছেলে মান্নান (৬৫) ও তাঁর ছেলে নফর (৩৩)।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি মালিথাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আলাউদ্দিন, মান্নান ও নফর গত বৃহস্পতিবার দুটি গরু নিয়ে ঢাকায় যান। গতকাল রোববার সকালে দুটি গরু তাঁরা ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকায় বিক্রিও করেন। গরু বিক্রি করে টাকাসহ আলমডাঙ্গায় ফেরার উদ্দেশ্যে তারা ঢাকার গাবতলী কেন্দ্রীয় বাসস্টান্ডে যান এবং তাঁরা চুয়াডাঙ্গা পর্যন্ত আসার জন্য পূর্বাশা পরিবহনের একটি এসি কোচের তিনটি টিকিট ক্রয় করেন। বাসে ওঠার আগে তারা সুস্থ থাকলেও ঢাকার গাবতলী থেকে বাস ছেড়ে আসার মুহূর্তে তাঁরা গাড়ির মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বাসটি মধুখালি নামক স্থানে পৌঁছালে আলাউদ্দিন ও নফরের সেপ্টি-প্যান্টের মধ্য থাকা ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। তাঁরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলেন পূর্বাশা পরিবহনের ওই এসি কোচের সুপারভাইজার নাজমুলের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন জানান, ‘গরু বিক্রি করা ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা আমাদের তিনজনের নিকট ছিল। গাড়িতে ওঠার সময় আমরা স্বাভাবিকভাবে বসেছিলাম। ক্লান্ত শরীরে এসির বাতাসে কখন অজ্ঞান হয়ে পড়েছি, বাসের মধ্যে তা ঠিক পায়নি। যখন মধুখালি থেকে সুপারভাইজার ডাকলেন, হালকা চেতনা হয়ে পকেটে হাত দিয়ে দেখি টাকা নেই। তবে অচেতন হওয়ার পূর্বে সুপারভাইজার আমাদের নিকট দুইবার এসেছিলেন, সেটা মনে আছে।’ সুপারভাইজার নিজেই তাঁদের টাকা ছিনতাই করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এবিষয়ে পূর্বাশা পরিবহনের সুপারভাইজার নাজমুল বলেন, ‘৩০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার গাবতলী থেকে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। গাড়ি ছাড়ার ২০-৩০ মিনিট পরপর আমরা যাত্রী সার্ভিস করি। এরমধ্যে আমি কিংবা অন্য কেউ এমনটা করবে, কখনো মানতে পারি না। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’