চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২৭ নভেম্বর ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুলিশ সদস্যসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ২৭, ২০২০ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

আলমডাঙ্গায় আলোচিত শাশুড়ী শেফালিসহ পৃথক তিনটি হত্যা মামলার রায়
সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক তিনটি হত্যা মামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অস্ত্র মামলায় একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে হত্যা মামলায় ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. রবিউল ইসলাম এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সিআইডির কনস্টেবল ও খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা গ্রামের অসীম কুমার ভট্টাচার্য, জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন আনার ও দর্শনা রামনগর গ্রামের জিয়ারুল ওরফে জিয়া। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় জিয়ারুল ওরফে জিয়াকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৮ জুন রাতে আলমডাঙ্গার মাদ্রাসাপাড়ায় সিআইডির কনস্টেবল আসীম কুমার ভট্টাচার্য ছুরিকাঘাত করে শাশুড়ী শেফালি আধিকারীকে হত্যা করে পালিয়ে যান। নিহতের স্বামী সদানন্দ আধিকারী বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামালা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম একই বছরের ২৭ জুন একজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসামির উপস্থিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
এদিকে, জীবননগরে কন্দর্পপুর গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ৪ জুলাই দুপুরে আনোয়ার হোসেন আনারসহ বেশ কয়েকজন মিলে কুপিয়ে ও পিটিয়ে প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করে। নিহতের ভাই বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে জীবননগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলাম সাতজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আসামিদের উপস্থিতিতে আনোয়ার হোসেন আনারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অন্য ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।
এছাড়া ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর রাতে জীবননগরের রতিরামপুর গ্রামে বাড়ি ফেরার সময় আব্দুর রহিমকে দুর্বৃত্তরা বোমা মেরে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে জিয়ারুল ওরফে জিয়াকে পুলিশ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।