পুত্রবধুসহ ছেলে ও নাতিকে কুপিয়ে জখম!

198

চুয়াডাঙ্গার কোটালিতে পুত্রবধু পছন্দ না হওয়ায় নির্যাতন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের কোটালি গ্রামে নিজ ছেলে, পুত্রবধু ও নাতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত সোমবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেগমপুর ইউনিয়নের কোটালী গ্রামের পূর্বপাড়ার সাত্তার মাস্টারের ছেলে হাউস আলীর সাথে কুষ্টিয়া জেলার ঝাউদিয়া মাছপাড়ার মৃত নজরুলের মেয়ে তাসলিমার সাথে গত ১০ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পুত্রবধূ পছন্দ না হওয়ায় শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন শ্বশুর শ্বাশুড়ী। এমনকি ছেলেকে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দিতে চাপ দিতো প্রতিনিয়ত।
এ নিয়ে গত রাতে ছাত্তার মাষ্টার, তার মা সেলিনা বেগম, তার ফুফাতো ভাই বেল্টু, চাচাতো ভাই হায়দার ও বিল্লাল ও ভাস্তে সোলেমান হাউস আলী তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুন ও তার শিশু কন্যা তন্নি খাতুনকে মারধর করে ও একপর্যায়ে হাউস আলী ও তার স্ত্রীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত হাউস আলী বলেন, বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূকে পছন্দ না আমার বাবা-মার। এই জন্য আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে আসছিল। গতকাল রাতে আমার বাবা-মা আমার চাচাতো ভাই, ফুফাতো ভাই এবং ভাতিজাসহ আমার স্ত্রী, আমার শিশু কন্যা ও আমাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছে বলে জানান তিনি।
এদিকে একটি সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি পিতা-মাতার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে আমরা তদন্ত শুরু করেছি বলে জানান এই কর্মকর্তা।