পাওনা টাকা আদায় করতে এসে গ্যাঁড়াকলে ব্যবসায়ী

12

ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের সদর উপজেলার গান্নায় পাওনা টাকা আদায় করতে এসে গ্যাঁড়াকলে পড়েন এক গ্যারেজ ব্যবসায়ী। পাওনা টাকা আদায় করতে এসে উল্টো তাঁর কাছে থাকা টাকা কেড়ে নিয়ে নারী কেলেঙ্কারিতে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে গান্না গ্রামের এক দল ছিনতাইকারী ও বখাটে যুবক। পরে পুলিশ এসে টাকা ও ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে। সণ্টু নামের ওই গ্যারেজ ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গা সদরের দশমাইল বাজারে আলমসাধু গাড়ি তৈরি করেন।
জানা গেছে, গান্না গ্রামের আজগারের ছেলে উজির আলী সণ্টুর দশমাইল বাজারের গ্যারেজ থেকে একটি আলমসাধু কিনে নিয়ে আসেন বাকি টাকায়। মাসে মাসে টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন উজির। এখনো ৩ হাজার টাকা বাকি রয়েছে, যা আদায় করতে আসেন গ্যারেজ মালিক সণ্টু।
প্রত্যাক্ষদর্শী গান্না পূর্বপাড়ার বাসিন্দারা জানান, গত সোমবার বিকেলে গান্না পূর্বপাড়ায় উজিরের বাড়িতে যেয়ে সণ্টু দেখতে পায় উজির বাড়িতে নেই। তিনি টাকার চাপ দিলে উজিরের স্ত্রী কৌশল করে তাঁর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের নাম করে গ্রামের বখাটে সাগর, জনি, ফারুক, মামুন, আমিন ও রেজাউলকে ডেকে এনে সণ্টুকে আটকে ফেলে। এসময় সণ্টুর কাছে থাকা নগদ ৪৩ হাজার ৫ শ টাকা কেড়ে নেয় সাগরসহ এই বখাটেরা। ব্যবসায়ী সণ্টুকে মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ব্যপক মারধর করে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসী। টাকা কেড়ে নিয়ে ছেড়ে দিলে তিনি মাঠের মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে গান্না বাজার ফুলমার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের কাছে আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে বেতাই-চণ্ডিপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ সিরাজুল আলম রাতে গিয়ে ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে এসআই সিরাজুল আলম জানান, ‘গতকাল রাতে আমি খবর পেলাম সণ্টু নামের এক ব্যবসায়ী গান্না গ্রামের উজিরের বাড়িতে পাওনা টাকা আদায় করতে আসে। গান্না গ্রামের কিছু বখাটে উল্টো তাঁর কাছে থাকা নগদ ৪৩ হাজার ৫ শ টাকা কেড়ে নিয়েছে। খবর পেয়ে আমি গান্না বাজারের ফুল ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম ও আলতাফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে টাকা উদ্ধার করে তাঁর হাতে টাকা বুঝিয়ে দিই। এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন এসআই সিরাজুল আলম।