পাঁচ থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন ওসি আবু জিহাদ

90

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশে মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ৯টায় পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত অফিসার ফোর্সদের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। মাস্টার প্যারেডের অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালামি গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম।
এ সময় পুলিশ সুপার প্যারেডে অংশগ্রহণকারী অফিসার ফোর্সদের ফিটনেস ও টার্ন আউটের ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। পুলিশ লাইন ড্রিলশেডে সকাল সাড়ে ১০টায় জানুয়ারি/২০২১ মাসের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণকারী সকল অফিসারদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন এবং সমাধানসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, কাজের মান ও পরিমাণ বিবেচনায় ১৩ জনকে ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ প্রদান করেন এবং কাজের মান ও পরিমাপ বিবেচনায় সন্তোষজনক না হওয়ায় ১২ জনকে তিরস্কার প্রদান করেন।
দ্রুত পুলিশের সেবা জনসাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরোজগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পে একটি পুলিশ পিকআপভ্যান সরবরাহ করেন এবং অস্ত্র-গুলি ও প্রয়োজনীয় মালামাল রাখার জন্য ক্যাম্পসমূহে চাহিদার প্রেক্ষিতে স্টিলের আলমারি সরবরাহ করেন।
পরে পুলিশ অফিস কনফারেন্স রুমে দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিসেম্বর/২০২০ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রত্যেক থানার অফিসার ইনচার্জদের থানাধীন এলাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য পাহারা, ওয়ারেন্ট তামিল, রাত্রিকালীন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আসন্ন দর্শনা ও জীবননগর পৌরসভা নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
এদিকে, এবারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সদর থানায় যোগদানের পর থেকেই থানাধীন এলাকাসমূহে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, সামাজিক ও মানবিক কাজে বিশেষ অবদান রাখাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। পেশাদার কাজের বাইরে যেয়ে তিনি একাধিক সামাজিক কাজ করছেন। বিভিন্ন সময় তাঁকে অসহায় সাধারণ মানুষের পাশে দেখা গেছে।
শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার অর্জনের পর অনুভূতি জানতে চাইলে আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, ‘জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এই পুরস্কার অর্জনের ফলে আমার দায়িত্ব-কর্তব্য আগের চেয়ে আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জেলার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম স্যারের নিকট। তাঁর নির্দেশনায় আগামীতে এ থানার সকল মানুষকে সেবা দিতে চাই। তিনি আমার অনুপ্রেরণা।’