চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ৪ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিয়ম অনুযায়ী বদলী আদেশ না দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যদের পদায়ন

সমীকরণ প্রতিবেদন
জানুয়ারি ৪, ২০১৮ ৪:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে পুল শিক্ষিকা সাবেরার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে একজন পুল শিক্ষিকাকে শূন্য পদে তার নিজ জেলায় বদলী আদেশ না দিয়ে একই পদে টাকার বিনিময়ে অন্য শিক্ষক/শিক্ষিকাদের পদায়ন করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়েছে বলেছেন অভিযুক্ত ডিপিও শহিদুল ইসলাম।
সহকারী (পুল) শিক্ষিকা সাবেরা সুলতানার এক লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি বর্তমানে নড়াইল জেলার চাঁনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে ২৬/০৪/১৭ইং তারিখে যোগদান করেন। বর্তমানে তার নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গায় শূন্য পদ ফাঁকা থাকায় বদলীর জন্য নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় উপ-পরিচালক বরাবর আবেদন করেন। তার নিজ আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও খুলনা বিভাগীয় উপ পরিচালক বদলীর প্রস্তাবনা ফরমে ও অন্যান্য কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করেন এবং আলমডাঙ্গা হাড়গাড়ি নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে যোগদানের জন্য অনুমতি পত্র দেয়। কিন্তু চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বদলী আদেশ বাতিল করে ওই স্কুলে প্যানেল শিক্ষিকা যোগদান করায়। আরো ৪জন প্যানেল শিক্ষকদেরকে শূন্য পদে যোগদান করায়। এই প্যানেল শিক্ষিকারা নিজ জেলায় কর্মরত আছে। তাদেরকে নিয়ে তিনি শূন্য পদ পূরণ করেন।
সাবেরা সুলতানার অভিযোগ- জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিয়মনীতি ভঙ্গ করে ইচ্ছামত প্যানেল শিক্ষকদের নিয়ে শূন্য পদ পূরণ করেছেন। অথচ বাহিরের জেলার নড়াইলে যাহার আছে তাদেরকে নিয়ে আসলেন না। কোন নীতিমালা অনুসরণ করলেন না। নিজের ইচ্ছামত প্যানেলদেরকে নিয়ে যোগদান করালেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার চুয়াডাঙ্গার শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে নিয়ে প্যানেল শিক্ষিকাদের বদলীর জন্য কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা জন প্রতি নিয়েছেন। তিনি নিজ স্বার্থের জন্য বাহিরের জেলার শিক্ষিকাদেরকে নিয়ে আসলেন না। সাবেরা সুলতানার মতো আরো ৩ জন শিক্ষিকা সহিত একই রকম করিয়াছেন। ঐ তিন শিক্ষিকাও নড়াইল জেলায় যোগদান করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিয়ম ভঙ্গ করে ও ঘুষ গ্রহনের মাধ্যমে অন্যায়ভাবে প্যানেল শিক্ষকদেরকে যোগদান করিয়েছেন এবং পুল শিক্ষিকা সাবেরা সুলতানাকে বলেন ‘আমি যা বলি তাই করি। আমি কোন অফিসারের কথা মতো চলি না।’
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ীয় পুল ও প্যানেল শিক্ষকদের বদলীতে মেধাক্রমানুসার অনুসরণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুল শিক্ষক বা শিক্ষিকারা প্যানেল শিক্ষক/শিক্ষিকাদের আগে বদলী আদেশ পেতে পারেন না।’

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।