চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১৫ জুলাই ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচনী আইন সংস্কারে ইসি

ডিসির পাশাপাশি কমিশনের কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার করা হতে পারে
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুলাই ১৫, ২০২২ ২:২৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদন: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-সহ নির্বাচনী বিধিবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিতে পারে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন আইন সংস্কার নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে। এক্ষেত্রে আরপিওতে একডজন সংশোধনী আনা হতে পারে। এ ছাড়া আরপিওর পাশাপাশি নির্বাচনী বিধিমালা ও নির্বাচনী আচরণবিধিমালা, জাতীয় সংসদ নির্বাচন (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) বিধিমালাতে সংশোধনী করা হবে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিসিদের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার করতে আরপিও সংস্কারের চিন্তা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনে অনিয়ম হলে প্রিসাইডিং অফিসাররা যাতে সংশ্লিষ্ট ভোট কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করতে পারেন, সেই বিষয়ে তাদের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করবে নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়া ঋণ ও বিল খেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার পথ কিছুটা সহজ করার চিন্তা করা হচ্ছে। সব স্তরের কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দিয়ে আরপিও সংশোধন করা হচ্ছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এ ভোটদান আরও সহজ করতে আইনে সংস্কার করা হতে পারে।

জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণ ও বিল খেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার পথ সহজ করতে একটি ধারা আরপিওতে যুক্ত করা হতে পারে। এ প্রস্তাবটি আরপিওতে যুক্ত হলে ঋণ ও বিল খেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হওয়ার যে বিধান এখন কার্যকর রয়েছে তা বাতিল হয়ে যাবে। আরপিওতে এ সংশোধনী অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও সেবা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের।

এ বিষয়ে জানতে ইসির আইন সংস্কার কমিটির একজন সদস্য বলেন, ঋণ ও বিল খেলাপি হলেই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না-এ বিধানটি অনেক কঠিন। এ বিষয়টি একটু সহজ করা উচিত বলে মনে করি। দেখা গেছে, প্রার্থী বাতিলসংক্রান্ত যেসব মামলা হয়েছে তার ৩০ শতাংশ এ কারণে। ঋণ বা বিল খেলাপি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু এ কারণে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মতো সাংবিধানিক অধিকার থেকে ক্ষুণ্ন করা সমীচীন নয়। আরপিওতে এ বিধান যুক্ত করা হলে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান-সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আইনেও একই ধরনের সংশোধনী আনার প্রয়োজন হবে।

ইসির একজন কর্মকর্তা বলেন, আরপিও অধ্যায়-৩ (নির্বাচন) ধারা ৭ এ বলা আছে, কমিশন প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকা থেকে কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশে উক্ত এলাকার জন্য একজন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করবেন। কোনো ব্যক্তিকে দুই বা ততধিক নির্বাচনী এলাকার জন্য রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করার লক্ষ্যে ইসির ধারা সংস্কারের চিন্তা করা হচ্ছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।