চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ২০ আগস্ট ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিজামীপন্তীর স্কুল থেকে জামায়াতের ১৮ জন আটক

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ২০, ২০১৬ ২:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ ডেস্ক: রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জামায়াতের ১৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তারা ওই স্কুলে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন বলে দাবি করে?ছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ডিআইটি প্রজেক্টের ৮ নাম্বার সড়কের ২৫ নাম্বার বাড়িতে অবস্থিত ওই স্কুলে গোপন বৈঠক করার সময় এদের আটক করা হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি হওয়া জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর স্ত্রী শামসুন্নাহার নিজামী ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল বলে জানিয়েছে পুলিশ। শামসুন্নাহার নিজামী নিজেও জামায়াতের নেতা। তিনি দলটির মহিলা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক। বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটির দুটি শাখা রয়েছে। একটি গুলশানে আর অন্যটি মেরুল বাড্ডার যে স্কুলটিতে অভিযান চালানো হয়েছে সেটি। দুটি শাখারই অধ্যক্ষ শামসুন্নাহার নিজামী। তবে স্কুলটিতে অভিযান চালানোর সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। এম এ জলিল বলেন, বাড্ডা থানা জামায়াতের আমির ফখরুদ্দিন মো. কেফায়েতুল্লাহ স্কুলটির ভাইস প্রিন্সিপাল। তিনিই এই শাখাটি চালাতেন। তাকে আটক করা হয়েছে। তার পরিবারের অন্য সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। বাড়ির মালিক বিল্লাল হোসেনসহ মোট ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান জলিল। বাড্ডায় গিয়ে দেখা যায়, ছয়তলা একটি ভবনে স্কুলটি। এর তিনতলায় বাড়ির মালিক সপরিবারে এবং ছয়তলার ওপর এক?টি চিলেকোঠায় থাকতেন ভাইস প্রিন্সিপাল ও তার পরিবার। বাড়িটির মূল ফটক অভিযানের পর থেকে তালা দেয়া রয়েছে। স্কুলটিতে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। স্থানীয় চয়েজ অটো ড্রাই ক্লিনার অ্যান্ড লন্ড্রির মালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ তিনটি গাড়িসহ বিল্লাল হোসেনের ছয়তলা ভবনে প্রবেশ করে। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নারীসহ বেশ কয়েকজনকে ওই ভবন থেকে বের করে পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে স্কুলটি এখানে প্রতিষ্ঠা করা হ?য়েছে বলে জানান তিনি।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।