চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুই দফা পেছানোর পর শুরু হলো এসএসসি সমমান পরীক্ষা

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ ২:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

সমীকরণ প্রতিবেদন:এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে সারাদেশে ৩৩ হাজার ৮৬০ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এদিন সারাদেশের ২৬ জন শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। গতকাল বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের প্রথম পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে এ পরীক্ষায় ৩৩ হাজার ৮৬০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিতির হার ১.৭৫ শতাংশ। প্রথমদিন ২৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শতকরা হিসেবে সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে। কারিগরিতে ৪.২৩ শতাংশ ও মাদ্রাসায় ৪.৪১। নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের মধ্যে সর্বাধিক কুমিল্লায় ১.৫৫ শতাংশ। কারিগরিতে ৪.২৩, মাদ্রাসায় ১০ হাজার ৯৫৮জন ও কুমিল্লায় অনুপস্থিত ২ হাজার ৮৬৬জন। সর্বমোট ১.৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত। সারাদেশে ২০২২ সালের এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেন। এ বছর পরীক্ষায় সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১১টা থেকে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে দুই ঘণ্টা। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এই পরীক্ষা এমসিকিউ ২০ মিনিট এবং সিকিউ পরীক্ষা হবে এক ঘণ্টা ৪০ মিনিট। তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা আগামী ১লা অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০ থেকে ১৫ই অক্টোবরের মধ্যে।
এদিকে, সারাদেশের ন্যায় একযোগে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা। চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম দিনের পরীক্ষায় ২৩৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এবং মেহেরপুর জেলায় ১৬৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা। গতকাল বৃহস্পতিবার কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বহিষ্কারের খবর পাওয়া যায়নি। যানজট এড়াতে এবছর এক ঘণ্টা পিছিয়ে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলায় মোট ২৩৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল বলে জেলা প্রশাসনের শিক্ষা শাখা সূত্রে জানা গেছে। প্রশ্নফাঁস রোধ ও পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতে কেন্দ্রগুলোর প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তথ্য মতে, প্রথম দিনের পরীক্ষায় জেলার মোট ১৩ হাজার ৪১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ হাজার ১৮৩ জন অংশ নিয়েছে। বাকি ২৩৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে এসএসসি (সাধারণ) বাংলা প্রথমপত্র বিষয়ের পরীক্ষায় মোট ১০ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৪৮২ জন। অনুপস্থিত ১৬১ জন। এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৭৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭৬২ জন। অনুপস্থিত ৩০ জন। দাখিল পরীক্ষায় ৯৮১ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিল ৯৩৯ জন। অনুপস্থিত ৪২ জন।
এদিকে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিন থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ছিল কড়া নিরাপত্তা। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, অনিয়ম এড়াতে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে সার্বক্ষণিক চারটি ভিজিলেন্সটিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট ও পুলিশ সদস্যরা মাঠে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। এসময় তিনি জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু পরিবেশে গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দায়িত্বে আছে। নকলমুক্ত পরিবেশে গ্রহণ করা হচ্ছে।

আলমডাঙ্গা:
সারা দেশের ন্যায় আলমডাঙ্গায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আলমডাঙ্গা উপজেলার ১০টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ৩৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে প্রথম দিন ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রনি আলম নুর, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা নাহিদ ও জেলা শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

আলমডাঙ্গা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। অনুপস্থিত ছিল ১২ জন। কেন্দ্র সচিব ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারী। কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বায়োজিদ খন্দকার। বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ৮৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে, এদের মধ্যে ১৯ জন অনুপস্থিত ছিল। কেন্দ্র সচিব ছিলেন মনিরুজ্জামান, সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক। আলমডাঙ্গা সিদ্দিকিয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র থেকে মোট ২৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন অনুপস্থিত ছিল। কেন্দ্র সচিব ছিলেন আখতারুজ্জামান। সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন ইউআরসি কর্মকর্তা জামাল হোসেন। সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মোট ৫৬৭ জনের মধ্যে ৯ জন অনুপস্থিত ছিল। হাটবোয়ালিয়া পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৭৪১ জনের মধ্যে ৯ জন অনুপস্থিত, মুন্সিগঞ্জ কেন্দ্রে মোট ৬৬৪ জনের মধ্যে ৮ জন অনুপস্থিত, আলমডাঙ্গা মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে (ভোকেশনাল) মোট ৩১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন অনুপস্থিত ছিল। এছাড়াও হারদী নিপ্পন জোহা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দামুড়হুদা:
দামুড়হুদা উপজেলায় ৪টি ভেন্যুতে ৭টি স্কুল থেকে ৩ হাজার ২২৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সানজিদা বেগম।

জানা যায়, দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুল ও দামুড়হুদা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ হাজার ১৪৮ জন, মেমনগর বিডি হাইস্কুল ও দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ে ৭৬৫ জন, কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কার্পাসডাঙ্গা বালিকা বিদ্যালয় ৬৬৯ জনসহ মোট ২ হাজার ৫৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংগ্রহণ করে। ভোকেশনালে দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩২৬ জন অংশগ্রহণ করে। দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন দামুড়হুদা ডিএস দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্র থেকে ১৬৯ জন ও কার্পাসডাঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সানজিদা বেগম পরিদর্শনের পর জানান, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনেই সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

জীবননগর:
জীবননগর উপজেলার ৯টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়। জীবননগর উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার জীবননগর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোকেশনাল ও মাদ্রাসা থেকে ২ হাজার ১৯৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অনুপস্থিত ছিল ৪৫ জন শির্ক্ষাথী।
জীবননগর থানা মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২১৩ জন, অনুপস্থিত ২জন, জীবননগর থানা সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২৪৮ জন, অনুপস্থিত ২ জন, আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষাথী ছিল ৩৮২ জন, অনুপস্থিত ৯ জন, উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২১৯ জন, অনুপস্থিত ২ জন, মনোহরপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২১৪ জন, অনুপস্থিত ৫ জন, হাসাদহ বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২৫৯ জন, অনুপস্থিত ৫ জন, ভোকেশনাল বিভাগে জীবননগর থানা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২৪৬ জন, অনুপস্থিত ৪ জন, জীবননগর থানা সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১৮৫ জন, অনুপস্থিত ৫ জন এবং উপজেলা আলিম মাদরাসায় দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল ২৩৩ জন, অনুপস্থিত ১১ জন পরীক্ষার্থী।
জীবননগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দ্বীনেশ চন্দ্র পাল জানান, জীবননগর উপজেলা থেকে এবার ২ হাজার ১৫৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এ জন্য প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আন্দুলবাড়ীয়া:
সারা দেশের ন্যায় জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়ায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়ায় সুষ্ঠুভাবে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আন্দুলবাড়ীয়ার দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৮২ জন। তার মধ্যে আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৬৯ জন, অনুপস্থিত ৩ জন এবং আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২২৩ জন, অনুপস্থিত ছিল ৬ জন।
এদিকে, পরীক্ষা শুরু হলে আন্দুলবাড়ীয়ার পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি পরিদর্শন করেন জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তিথি মিত্র। এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার ও কেন্দ্র সচিব মমতাজ আহমেদ তাজ। দুটি কেন্দ্রের হল সুপারের দায়িত্ব পালন করেন ছাইদুর রহমান ও তরিকুল ইসলাম। এসময় কড়া নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেকের নির্দেশে শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা।

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।