দীর্ঘদিন ধরেই ভ্রাম্যমান আদালতের নেই কোনো অভিযান : ব্যস্ত আছে সুবিধাভোগীরা চুয়াডাঙ্গার হোটেলগুলোতে নোঙরা পরিবেশ : প্রতিকার কামনা

500

imj-54669522588

শহর প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা শহরে হোটেলগুলোতে নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি ও সরবরাহ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান না থাকায় এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী হোটেল ব্যবসায়ীরা নির্বিœঘে সরলমনা মানুষকে পঁচা ও বাসি খাবার খাইয়ে অধিক অর্থ কামাইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নোংরা, আর্বজনা, বাসী ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চুয়াডাঙ্গার শহরের বেশিরভাগ হোটেলে এসব খাবার তৈরি হচ্ছে। রান্নার যেমন পরিবেশ নেই হোটেলগুলোতে তেমনি নেই খাওয়ারও পরিবেশ। অথচ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা এসব খাবারই খেতে হচ্ছে দূরদূরান্ত থেকে আসা লোকদেরকে। জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা শহরের নাম করা হোটেল আল-আমিন, হোটেল শিমরান, মিনু হোটেলসহ শহরের বিভিন্ন হোটেলের পেছনে অভিযান নেই দীর্ঘদিন দীর্ঘদিনের পঁচা তৈল, মসলা, আটা, অবিক্রিত পেয়াজু, জিলাপী, রুটি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তাতে পচন ধরে দুর্গন্ধময় পরিবেশ সহ মাছি মৌ মৌ করছে। টেবিল তথা হোটেলগুলোতে দুর্গন্ধময় আর মৌ মাছির মৌ-মৌতে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা লোকজন ও সচেতন ব্যক্তিরা। সরলমনা সাধারণ মানুষেরা এর প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা। তবে কয়েককদিনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, কিছু নাম করা হোটেলে নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি করা হয়। হোটেলের পেছনে যেখানে মানুষ হাত, খাবারের প্লেট, গ্লাস ধোয়া হয় এবং খাবার তৈরির কাচাঁমাল পরিষ্কার করা হয় সেই জায়গার স্লিপারের উপরে কাটা হচ্ছে মাংস ও সবজি। তার পাশেই রয়েছে আবার নর্দমা। আর ওই নর্দমার পিলারে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে তরকারিগুলো। আরো দেখা যায়, হোটেলে যেসব খাবার পরিবেশন করা হয় তা অত্যন্ত নিম্নমানের। তাছাড়া পচাঁ বাসী খাবার ফ্রিজে রেখে পরদিন গরম করে তা টাটকা খাবার হিসেবে পরিবেশন করা হচ্ছে। শুধু নাম করা হোটেলেই না  বেশিরভাগ হোটেলগুলোতেই এরকম চিত্র দেখা গেছে।