দামুড়হুদায় ইটভাটার মাটিতে রাস্তায় কাঁদা : দুর্ঘটনার আশঙ্কা

448

ভাটা মালিকদের ইউএনও’র নির্দেশে সড়ক পরিষ্কার
দামুড়হুদা প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক গুলোতে ইটভাটায় মাটি বহনকরা ট্রাক্টর ও সড়কের ধারে স্তুপ করে সংরক্ষণ করা মাটি বৃষ্টির ধুয়াট এসে সড়কে মাটি জমে পিচ্ছিল হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা এড়াতে ভাটা মালিকদের সড়ক থেকে কাদা মাটি সরানোর নির্দ্দেশ ও সড়কের ধারে মাটির স্তুপ না রাখার জন্য সর্তক করলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসান।
জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার প্রায় সকল ইটভাটা মালিকরা সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে ইট প্রস্তুত করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মহোদয় জেলার সকল ইটভাটা মালিকের রাস্তার পাশে মজুত করা মাটির স্তুপ রাস্তা থেকে দূরুত্ব বজায় রেখে মাটি সংরক্ষণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ভাটা মালিকরা কোন কিছু তোয়াক্কা না করে তাদের ইট প্রস্তুত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সরজমিনে গেলে দেখা যায় প্রতিটি ইটভাটায় তাদের মজুদ করা মাটির জন্য ইটভাটার পার্শ্বের রাস্তাগুলো ধূলো ও কাদায় মানুষের মরন ফাদে পরিনত হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার পাশে সংরক্ষন করা মাটির ধুয়াট এসে রাস্তাগুলো কৃষিজমিতে পরিণত হয়। এতেকরে প্রায় ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটে ও সড়ক গুলোতে সাধারণ মানুষের চলাচলের বিঘœ ঘটায়। গত দুইদিনের ঝিমঝিম বৃষ্টিতে দামুড়হুদার সড়কগুলো এমন মরন ফাদের সৃষ্টি হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দামুড়হুদাকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এলাকার সচেতন ব্যক্তি অভিযোগ করে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসান দামুড়হুদার সদর ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ইটভাটাগুলো সরোজমিনে পরিদর্শনে গেলে রাস্তার বেহাল দশা দেখে ১ঘন্টার মধ্যে রাস্তা পরিস্কারের জন্য ইটভাটা মালিকদের নির্দেশনা দেন। সেইসাথে মাটি বহনকারি কয়েকটি ট্রাক্টর জব্দ করে চাকা পামচ্ছার করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে ভাটা মালিকরা রাস্তা পরিস্কারের কাজ শুরু করেন। দ্রুত ভাটাই ব্যবহৃত সংরক্ষনকৃত মাটির ধুয়াটের কাদা মাটি পরিস্কার না করলে ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করে দেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত সাধারণ মানুষের এ বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য আহবান জানান। এই মহত উদ্দ্যোগ নেয়ার জন্য সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই কাজে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন সার্ভেয়ার গোলাম মোস্তফা ও অফিস সহায়ক রফিকুল ইসলাম।