চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ২ অক্টোবর ২০২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দামুড়হুদার ঠাকুরপুরে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
অক্টোবর ২, ২০২১ ৪:৪২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

দামুড়হুদার ঠাকুরপুরে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ
প্রতিবেদক, কার্পাসডাঙ্গা:
দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ঠাকুরপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমউদ্দীনের ছেলে মিজানুর রহমানের ক্রয়কৃত দখলি জমি জোরপূর্বক দখল করে বেড়া দিয়ে ঘিরে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের ময়নদ্দীনের ছেলে নুহুর বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, পীরপুরকুল্লা কাটাখালির মাঠে জমির মূল মালিক আলী আহাম্মদের নিকট ১২ শতক জমি ক্রয় করে একই গ্রামের মস্তবারীর স্ত্রী সয়মান খাতুন। সেই জমি পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমউদ্দীনের ছেলে মিজানুর রহমান ক্রয় করে। সয়মান খাতুন তাঁর দখলকৃত ১২ শতক জমি মিজানুরকে বুঝিয়ে দিলে সেখানে মেহগনির বাগান করে। দীর্ঘ ২১ বছর সেই মেহগনি বাগানের পরিচর্যা করে গাছগুলো চড়া মূল্য হয়েছে, তখনই নুহু পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর রেজিস্ট্রি করা ম্যাপ অনুযায়ী জমি দাবি করে ১১টা মেহগনি গাঁছসহ তার দখলকৃত জমি জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়েছে।
এ বিষয়ে মিজানুর জানান, এত বছরেও নুহু বা অন্য কোনো শরিকরা আমাদের কিছুই বলেনি। যে জমিটি ভোগদখল করে আসছিল, সেখানেও গাছ ছিল। কৌশলে তার ভোগদখলকৃত জমির সব গাছ বিক্রি করে আমার গাছসহ জমি দখল করে নিয়ে বলছে এ জমি আমার। তবে সে কেন তার জমির গাছ কেটে নিল। জমি যদি তার এরকম করা ম্যাপ করা থাকে তবে ছেড়ে দিতে আপত্তি নেই। কিন্তু আমার লাগানো গাছ আমাকে তো সে ছেড়ে দেবে। ২ লক্ষ টাকা আনুমানিক দাম হবে ১১ টি মেহগনির গাছের। বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজিমউদ্দীন জানান দেশ স্বাধীন করে আজ সেই দেশেই আমাদের জমিই অন্যজন জোরপূর্বক দখল করে নিচ্ছে।এ কষ্ট কোথায় জানাবো। কাকে বলবো এ কষ্টের কথা।
কয়েকজন গ্রামবাসী জানান প্রায় দু’যুগ ধরে মিজানুর গাছ লাগিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। এতটুকুই জানি। এছাড়া বেশি কিছু না। এবিষয়ে নুহুর সাথে কথা বললে তিনি জানান তিনি তার জমি চাষ করতে দেন মিজানুরকে জমিতে বাগান করে দেবার শর্তে। সে জমি চাষ করেছে আর আমার বাগান করে দিয়েছে। এখন সে জমিটি তার বলে দাবী করছে। মিজানুর এ বিষয়ে পুলিশে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।