দামুড়হুদার চিৎলা হাইস্কুলপাড়ায় বৃদ্ধকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়ার জের প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে মাসহ দু ছেলে রক্তাক্ত জখম

দামুড়হুদা প্রতিনিধি : দামুড়হুদায় দা দিয়ে কুপিয়ে মাসহ দু ছেলেকে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রক্তাক্ত জখম মালেকা বেগম (৪৬) ও তার দু ছেলে স্বপন (২৫) এবং মাসুদকে (২২) দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (চিৎলা হাসপাতালে) ভর্তি করা হয়েছে। রবিউল নামের এক বৃদ্ধকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়ার জের ধরেই ওই ঘটনার সূত্রপাত বলে প্রতিপক্ষরা জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের চিৎলা হাইস্কুলপাড়ায় ওই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দামুড়হুদার চিৎলা হাইস্কুল পাড়ার শহিদুল ইসলামের বসতবাড়ির পাশেই প্রায় ৬/৭ বছর আগে নিজ জমিতে পুকুর খনন করেন একই গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম। বসতবাড়ির পাশেই কুকুর খনন করায় সম্প্রতি শহিদুল ইসলামের বাড়ির সীমানা প্রাচিলের বেশকিছু অংশ ভেঙ্গে পড়েছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পুকুর মালিক রবিউলের  সাথে শহিদুলের ছেলে স্বপনের কথাকাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে রবিউলের দু ছেলে মিন্টু (৩৫) ও লিটন (৩০), মিন্টুর ছোট চাচা ইনছান (৪৮), ইনছানের ছেলে টোটন (২৫) ও মৃত মঙ্গল শেখের ছেলে রশিদ (৩২) ছিপ দাসহ লাঠিসোটা নিয়ে শহিদুলের বাড়িতে গিয়ে শহিদুলের স্ত্রী মালেকা বেগমসহ তার দু ছেলে স্বপন ও মাসুদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তারা বাড়িঘরে হামলাসহ লুটপাট করে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। রক্তাক্ত জখম মালেকা বেগম এবং তার দু ছেলে স্বপন ও মাসুদকে চিৎলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মাথায় বেশ কয়েকটি করে সেলাই দেয়া লেগেছে। এ ঘটনায় নুরুল ইসলামের ছেলে টোটন বাদি হয়ে রবিউলের দু ছেলে মিন্টু ও লিটনসহ মোট ৫ জনকে আসামি করে দামুড়হুদা থানায় মামলা করেছেন।
এ দিকে প্রতিপক্ষ রবিউলের পরিবারের লোকজন পাল্টা অভিযোগ করে বলেছেন, শহিদুলের ছেলে স্বপন আমার বৃদ্ধ পিতা রবিউলকে প্রথমে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে আহত করে। বিষয়টি জানার জন্য আমার দু ভাই মিন্টু ও লিটন শহিদুলের বাড়ির সামনে গেলে তারা গালাগালি শুরু করে এবং মারধর করে। এতে আমার ছোট ভাই লিটন আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে এবং  তার বামহাতের একটি আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে।