দর্শনা পুলিশের অভিযানে ২০পিস ইয়াবাসহ আজিমপুরের দু’মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আসামী ছাড়াতে ব্যর্থ প্রচেষ্টা : আদালতে সোপর্দ

322

নিজস্ব প্রতিবেদক: দর্শনা আজিমপুরে পুলিশ মাদক বিরোধী সফল অভিযান চালিয়ে ২০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নয়ন ও মানিক নামের দুই মাদকব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত মাদকব্যাবসায়ী দুই জনকে ছাড়াতে দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হাজির হয় মাদকব্যবসার থলেনদার আলোচিত দুই সাংবাদিক। এ মাদকব্যবসায়ী দুজনকে পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করতে মাদকব্যবসার থলেনদার আলোচিত দুই সাংবাদিক গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশের কাছে দেনদরবার করে বৃথা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। এছাড়া দর কষাকষির এক পর্যায় ভেস্তে যায় সকল তাদের সকল প্রচেষ্টা। দু’মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের খবর জানতে দর্শনার সাংবাদিকরা পুলিশের কাছে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইলে পুলিশ প্রথমে মারামারি ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে পুলিশ ২০পিস ইয়াবাসহ আটককৃত ঐ দু’জন মাদকব্যাবসায়ীকে দামুড়হুদা মডেল থানায় সোর্পদ করে। গতকাল দামুড়হুদা থানা পুলিশ তাদের আদালতে সোর্পদ করেন। এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, গত বুধবার সন্ধ্যার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর এলাকার আজিমপুরে মাদকবিরোধী সফল অভিযান চালায় দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। এসময় পুলিশি অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দর্শনা আজিমপুর এলাকার রহিদুজ্জামান মানিকের ছেলে এলাকার চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী কামরুজ্জামান নয়ন (২২) ও একই পাড়ার তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে রাহাতকে (২৫) আটক করে। তবে আটককৃত দু’মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গভীররাত পর্যন্ত চলে মাদক ব্যবসার থলেনদার আলোচিত কথিত সাংবাদিক ও পুলিশের মধ্যে চলতে থাকে দর কষাকষি। এরই এক পর্যায়ে দু’মাদক ব্যবসায়ীদেরকে ছাড়নোর সকল চেষ্টা ভেস্তে যায়। তবে একটি বিশেষ সূত্র বলেছে, ইয়াবাসহ আটককৃত দু’মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে আলোচিত সাংবাদিক পুলিশকে অর্ধলক্ষ টাকার প্রস্তাব দিয়েছে বলে একটি সূত্র বলেন। তবে কি কারণে শেষ পর্যন্ত হটাত করে সবকিছু ভেস্তে গেলো তা জানা যায়নি। এদিকে একটি সূত্র বলেছে, দর্শনার বেশ কয়েকটি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় একটি পত্রিকার আলোচিত সাংবাদিক। কোন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে ধরা পড়লেই তাদেরকে ছাড়াতে পুলিশের কাছে তদবির ছুটে আসে। এ আলোচিত সাংবাদিক মাদকসহ বিভিন্ন মামলার আসামী ছাড়াতে পারদর্শী হওয়ায় এলাকায় রয়েছে বেশ কদর। দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (তদন্ত ওসি) শোনিত কুমার গায়েন প্রথমে বলেন, তাদেরকে কোন মাদক মামলায় আটক করা হয়নি। একটি মারামারি ঘটনায় তাদেরকে তদন্ত কেন্দ্রে আনা হয়েছে। এ দিকে দামুড়হুদা মডেল থানার (ওসি) অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, ২০পিস ইয়াবাসহ ঐ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।
আজিমপুর এলাকা এখন মাদকে আখড়ায় পরিনত হয়েছে। আর ঐ আলোচিত সাংবাদিক এসব মাদকব্যবসার মদদদাতা বলে কথিত রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশের মধ্যমে তদন্ত করলে দর্শনা আজমপুর এলাকায় মাদকব্যবসার সাথে কারা জড়িত আছে বেরিয়ে আসবে।