দর্শনার ‘অনির্বাণ থিয়েটার’ কলকাতার মঞ্চ কাঁপিয়ে ফিরে এলো দেশে

331

দর্শনা অফিস: দর্শনার ‘অনির্বাণ থিয়েটার’ ভারতের কলকাতায় মঞ্চ কাঁপিয়ে ফিরে এলো দর্শনায়। গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় দর্শনা জয়নগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরেছে। বাংলাদেশের থিয়েটার আন্দোলনে অনির্বাণ থিয়েটার দেশ পরিচিতির পর এবার দেশের বাইরে ভারতে পরিচিতি পেয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর ৩০ সদস্যের দলটি কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ৬ ডিসেম্বর ঢাকুরিয়া নাট্যমুখের আমন্ত্রণে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গান্ধী ভবন, ৭ ডিসেম্বর রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধের আমন্ত্রণে দমদমের অজিতেশ মঞ্চ ও ৮ ডিসেম্বর আগরপাড়া কথামালার আমন্ত্রণে উত্তর কলকাতার মোহিত মৈত্র মঞ্চে দলের প্রাণপুরুষ নাট্যজন আনোয়ার হোসেনের নাটক, নির্দেশনা ও মঞ্চপরিকল্পনায় ‘জিষ্ণু যারা’ নাটকটির প্রদর্শনী হয়। এ নাট্য প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনারবি এম জামাল হোসেন তার স্ত্রী, ভারতের অল্টারনেট লিভিং থিয়েটারের দল প্রধান এশিয়া মহাদেশের ভিন্ন ধর্মী নাট্যকার ও নির্দেশক প্রবীর গুহ, কলকাতার ঢাকুরীয়া নাট্য মুখ’র দল প্রধান সুজন সাহা, রাজশাহীর নাট্যজন জামি কাইসার, ভারতের দানি কর্মকার, সৌম সাহা ও আবৃতিকার সৌমিত্র ঘোষ প্রমূখ। উপস্থিত অতিথিরা নাট্যকার ও নির্দেশক আনোয়ার হোসেন এর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক, ফুলের তোড়া ও উত্তরীও তুলে দেন। ভারতের কলকাতায় নাটকটিতে অভিনয় করেছে- হাসমত কবির, মাহাবুবুর রহমান মুকুল, শামীম আজাদ, মিরাজ উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, জগন্নাথ কুমার কর্মকার, আজাদুল ইসলাম মিলন, ফরহাদ হোসেন টিটন, ফেরদৌসী পারভীন পপি, আসমা হেনা চুমকী, এসএম সাব্বির আলিম, হাবিবুর রহমান ঈদু, সামিয়া ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল অপু। নেপথ্যে কাজ করেছে- আলোক পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ : আবুল হোসেন ও রেজাউল করিম, পোষাক পরিকল্পনা : রানী শাহ্ ও জেসমিন আক্তার পপি, উপকরণ : মিরাজ উদ্দিন, আবহ সংগীত : ইসরাইল হোসেন খান, বাদ্যযন্ত্রী : সায়েমুল হক টিপু, মামুন আল রাজী, আব্দুর রহমান ও খাইরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা : সাজ্জাদ হোসেন, প্রযোজনা ব্যবস্থপনা ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান আলো।