দর্শক মাতাল পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীরা

231

চুয়াডাঙ্গায় জমে উঠেছে অরিন্দম সাংস্কৃতিক উৎসব
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আয়োজনে কমতি নেই। সেই সঙ্গে দর্শকেরও অভাব নেই। যেন এক মহাউৎসবে রূপ নিয়েছে অরিন্দম সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২০। গতকাল বৃহস্পতিবার নাটক ও নৃত্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শক মাতিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার অশোকনগরের হেমাঙ্গ সাংস্কৃতিক সংস্থা। আজ শুক্রবার নাটক ও সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশন করবে যশোরের বিবর্তন।
অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে এ উৎসব প্রতিবছরের ন্যায় এবারও জমে উঠেছে। দর্শকের আনাগোনায় অনুষ্ঠানস্থল থাকছে কানায় কানায় পূর্ণ। উৎসবের তৃতীয় দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল মনোজ্ঞ নৃত্যানুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও নাটক। গত বছরের ন্যায় এবারও এ আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে দৈনিক সময়ের সমীকরণ। ৬ দিনব্যাপী এ সাংস্কৃতিক উৎসব চলবে ১২ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার উৎসবের তৃতীয় দিনে সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার অশোকনগরের হেমাঙ্গ সাংস্কৃতিক সংস্থার পরিবেশনায় ‘মম চিত্তে কে যে নাচে’ ও সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় ‘নৃত্যের ছন্দে দুলি আনন্দে’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অরিন্দমের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মালিকের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার অশোকনগরের হেমাঙ্গ সাংস্কৃতিক সংস্থার তাপস ব্যানার্জী ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চুয়াডাঙ্গা জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক হাবিবি জহির রায়হান। পরে হেমাঙ্গ সাংস্কৃতিক সংস্থার পরিবেশনায় সন্ধ্যা সাতটায় নাটক ‘শিকারী’ পরিবেশিত হয়।
আজ শুক্রবার উৎসবের চতুর্থ দিনে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সংগীতানুষ্ঠান ‘আবহমান এই বাংলা’ সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় ‘সংস্কৃত-চর্চার গতি-প্রকৃতি : প্রেক্ষিত চুয়াডাঙ্গা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সন্ধ্যা সাতটায় যশোরের বিবর্তনের পরিবেশনায় নাটক ‘কৈবর্তগাথা’ পরিবেশিত হবে।