তিন জয়ে ইউরোর নক আউটে ইতালি

24

খেলাধুলা প্রতিবেদন:
টুর্নামেন্টের আগে কোনো আলোচনাতেই ছিলো না ইতালি। এমনকি বাছাইয়ে টানা দশ জয়ের পরেও তাদের নিয়ে ভক্ত কিংবা বিশ্লেষকদের মধ্যে কোনো আগ্রহের সৃষ্টি হয়নি। সেই ইতালিই তুলে নিয়েছে মূল পর্বে টানা তৃতীয় জয়, গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের ম্যাচে ওয়েলসকে হারিয়েছে ১-০ গোলে। তাতে কাঙ্ক্ষিত গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্ব তো মিলেছেই, কোচ রবার্তো মানচিনির ইতালি বার্তা দিয়ে রাখলো আর সব শিরোপা প্রত্যাশীদেরও। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ম্যাচের ৩০ মিনিটে সেরা সুযোগটি ইতালি পায়। ফেদেরিকো বেরনারডেস্কির অসাধারণ পাস থেকে করা আন্দ্রেয়া বেলোত্তির শটটি অবশ্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ওই সময় পর্যন্ত ম্যাচে ইতালির বল পজেশন ছিলো ৬৯ শতাংশ! এর মধ্যে ৪বার গোলে শট নিয়েছে মানচিনির দল, যার দুটিই লক্ষে ছিলো। তবে ইতালিকে গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩৯ মিনিট পর্যন্ত। ভেরাত্তির ক্রসে বক্সের মধ্য থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক ভলিতে বল জালে জড়ান মাত্তেও পেসিনা। ২০০৪ সালে আন্তোনিও কাসানোর পর সর্বকনিষ্ঠ ইতালির খেলোয়াড় হিসেবে শুরুর একাদশে নেমে গোল পাওয়া ইতালির প্রথম খেলোয়াড় হয়ে গেছেন তিনি। আজ গোলটি পাওয়ার সময় পেসিনার বয়স ছিল ২৪ বছর ৬০ দিন। দ্বিতীয়ার্ধেও ওয়েরসের রক্ষণে চাপ অব্যাহত রাখে ইতালি। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পেয়েছে ওয়েলসও। সেরা সুযোগটি তারা পায় ৫৩ মিনিটে। কিন্তু ৫৩ মিনিটে ইতালির গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন রামসি। ৫৫ মিনিটে বেরনারডেস্কিকে ফাউল করে আম্পাডু লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দল হয়ে যায় ওয়েলস। এরপর আক্রমণ করার চেয়ে আক্রমণ ঠেকাতেই বেশি মনোযোগী হতে হয় তাদের। এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে পৌছেছে ইতালি। তবে হেরেও রাউন্ড অব সিক্সটিনে উঠেছে ওয়েলসও।