তিনদিনে ২০৪ জন নিলেন চীনের টিকা

32

চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের কার্যক্রম
ফাইজারের টিকা নিতেও নিবন্ধন করেছেন জেলার প্রায় ৬৭ হাজার মানুষ
রুদ্র রাসেল:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা টিকাদান কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে আরও ১০৯ জন সিনোফার্মের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত করোনা টিকাদান কেন্দ্রে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে এই টিকা প্রদান করা হয়। গতকাল প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৭ জন পুরুষ ও ৪২ জন নারী রয়েছেন। এরমধ্যে পূর্বের রেজিস্ট্রেশনকৃত ৮৩ জন ও ২৬ জন মেডিকেল স্টুডেন্ট। এনিয়ে গত তিনদিনে জেলায় সিনোফার্মের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ২০৪ জন।
জানা যায়, গত ২০ মে করোনা টিকার মজুদ শেষ হওয়ায় জেলায় টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপূর্বে গত ২৫ এপ্রিল বন্ধ করে দেওয়া হয় করোনা টিকার প্রথম ডোজ প্রদানের কার্যক্রম। আর অনলাইনে করোনা টিকার রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করা হয়েছে গত এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখে। জেলায় ফাইজারের টিকা নিতে এ যাবত মোট নিবন্ধন করেছেন ৬৬ হাজার ৫৭৬ জন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি জেলার চার উপজেলায় বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে একযোগে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৭১ জন। ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয় জেলায় করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান কার্যক্রম। ৮ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত জেলায় করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ৩১ হাজার ১০৪ জন। টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে অপেক্ষায় আছে ২৬ হাজার ৭৬৭ জন। তবে এবার জেলা সিভিল সার্জন অফিসে ৪ হাজার ৮০০ ডোজ সিনোফার্মের (চীনের) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আসায় প্রথম ডোজের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেও টিকা না পাওয়া ৮ হাজার ৪০৫ জনের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ জন এই টিকা পাবেন। এই ২ হাজার ৪০০ জনের জন্য দ্বিতীয় ডোজের টিকাও নিশ্চিত মজুদ রাখবে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ। প্রথম ডোজ প্রহণের ৪ সপ্তাহ পরে পর্যায়ক্রমে তাঁদেরকে একই টিকা কেন্দ্র থেকে সিনোফার্মের টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা করোনা টিকাদান কর্মসূচির আহ্বায়ক ও সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, ‘জেলায় সিনোফার্মের (চীনের) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের তিনদিনে ২০৪ জন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। টিকা গ্রহণের পর অন্তত ৩০ মিনিট টিকা গ্রহিতাদেরকে অবজারভেশনে রাখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কারও শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি।