চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ১৯ জুলাই ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তাপপ্রবাহ হ্রাস পেতে পারে শিগগিরই

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুলাই ১৯, ২০২২ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদন: দেশব্যাপী চলমান তাপপ্রবাহ শিগগিরই হ্রাস পেতে পারে। গতকালও রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং চুয়াডাঙ্গা জেলাসমুহে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। তবে আজ কিছু কিছু জায়গা তাপপ্রবাহ কমে আবহাওয়া অনেকটা সহনীয় হয়ে উঠতে পারে। ঢাকা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামীকাল বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কমবেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সারা দেশেই তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তাপপ্রবাহ কমে বৃষ্টি হওয়ার কারণ হিসেবে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর উড়িষ্যা এবং এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলে গেছে। মৌসুমি বায়ুর বর্তমানে ভারতের রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উড়িষ্যা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর এই অক্ষের একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি এই অবস্থা হলে বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

গতকাল সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ ছিল ৩৩.৮ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেকে জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দেশব্যাপী বৃষ্টি হলেই চলমান তাপপ্রবাহটি না থাকলেও গরম কমে একেবারে পরিবেশ সহনীয় হয়ে যাবে না। মূলত এ সময়টা গরমেরই সময়। সূর্য লম্বভাবে কিরণ দিচ্ছে। লম্বভাবে সূর্য কিরণ ভূপৃষ্ঠে সরাসরি এসে পড়লে তাতে তাপ তুলনামূলক বেশি থাকে। জুলাই মাসের এই তাপ কিছুটা কমে যায় বৃষ্টি হলে অথবা আকাশে ভারী মেঘ থাকলে। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি হয়ে থেমে গেলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন এই বেশি জলীয় বাষ্পই অসহনীয় হয়ে উঠে। কারণ জলীয় বাষ্প বেশি তাপ ধারণ করে রাখতে পারে। অন্যদিকে বাতাসে বেশি আর্দ্রতা থাকলে গরমের কারণে শরীরের ঘাম দ্রুত শুকাতে পারে না অথবা স্বাভাবিকভাবে শুকায় না। ফলে মানুষের মধ্যে অস্বস্তি আরো বাড়ে। কিন্তু কিছুক্ষণ ফ্যানের নিচে থাকলে শরীরের চারপাশে আর্দ্রতা কমায় ফ্যানের বাতাস। ফলে শরীরের ঘাম শুকিয়ে যায় বলে কিছুটা স্বস্তিবোধ হতে থাকে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।