ডেঙ্গুজ্বরের ঘরোয়া ওষুধ

206

স্বাস্থ্য ডেক্স:
সম্প্রতি জাপানি গবেষকদের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট অনুসারে গত কয়েক দশকে নানা কারণে সমগ্র বিশ্বজুড়েই ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। যে কারণে প্রতিবছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৫০০ মিলিয়নে এসে ঠেকেছে। শুধু তাই নয়, বিশ শতকের পর থেকে প্রায় ১০০টা দেশে এই ভাইরাল ইনফেকশন প্রায় মহামারির আকার ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে ঘরে বসেই ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা করা যেতে পারে, সে বিষয়ে জেনে নেয়াটা কি জরুরি মনে হয় না? একাধিক প্রকৃতিক উপাদানকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই ডেঙ্গুজ্বরকে কাবু করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সাধারণত যে যে উপাদানগুলোর প্রয়োজন পড়বে, সেগুলি হলো- পানি : ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরে পানির মাত্রা কমতে শুরু করে। তাই এই সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাওয়া একান্ত প্রয়োজন। এমনটা করলে ডেঙ্গুর বেশ কিছু লক্ষণ নিমেষে কমে যায়, যেমন- মাথা যন্ত্রণা, পেশির ব্যথা বা ক্র্যাম্প, ডিহাইড্রেশন প্রভৃতি। প্রসঙ্গত, শরীরে পানির মাত্রা বাড়লে দেহে উপস্থিত টক্সিন উপাদানের মাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভাইরাল ইনফেকশনের প্রকোপ কমতে শুরু করে। নিমপাতা : ডেঙ্গুর মতো ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ কমাতে নিমপাতার কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে থাকা বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান শরীরে পস্নাটিলেট কাউন্ট বাড়ানোর পাশাপাশি শ্বেত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এখানেই শেষ নয়, দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলে ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রভাবকে দ্রমত কমিয়ে ফেলতেও নিমপাতা সাহায্য করে থাকে। পেঁপে পাতা : পস্নাটিলেট কাউন্ট বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরে ভিটামিন সি’র মাত্রা বৃদ্ধিতে পেঁপে পাতা দারুণভাবে কাজে আসে। সেই সঙ্গে দেহে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়িয়ে তুলে ডেঙ্গুজ্বরের নানাবিধ লক্ষণ কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে থাকে। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন পেঁপে পাতার রস খাওয়াতে হবে রোগীকে। তবেই উপকার মিলবে।