চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরপুর সীমান্তের আলোচিত অপকর্মের হোতা দালাল কায়জার! লাইন ফিরে পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু : বিজিবি পরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৮, ২০১৬ ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Screenshot_2016-09-09-07-57-43নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা পীরপুরকুল¬া মখোলা পাড়ার হাসেল মন্ডলের ছেলে ঠাকুরপুর সীমান্তের বহু অপকর্মের হোতা দালাল কায়জারকে বিগত কয়েকমাস  পূর্বে বিজিবি কায়জারকে আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানায় সোর্পদ করে। পরে কায়জার চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বেশ কিছুদিন কৌশল করে চুপচাপ থাকলেও আবারও বিগত কয়েকদিন ধরে সীমান্তে দালালী ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ। দালাল কায়জার দালালী টিকাতে এবার মরন কামড় দিয়েছে বলে জানা গেছে। দালাল কায়জার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের উৎস হারিয়ে টাকা দিয়ে বিভিন্ন লোককে ম্যানেজের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সচেতনমহল মনে করেন দালাল কায়জারের খুটির জোর কোথায়? বিজিবির হাতে আটক হওয়া সত্ত্বেও  আবার ও দালালী ফিরে পেতে এ দৌড়ঝাঁপ। দালাল কায়জার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কি এত গুরুত্বপূর্ন মানুষ। সে একজন দালাল। তবে সীমান্তে দালাল কায়জার আবারো দালালী করলে সীমান্তে দালাল কায়জারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে যাবে লোকজন। দালাল কায়জার আবার ও সীমান্তে কথিত সোর্স নামে দালালী করে সীমান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তাঁর দায় কি বিজিবি নেবে? দালাল কায়জারের কাছে কি আলাদিনের চেরাগ আছে যে সীমান্তে আবারও দালাল কায়জারের দরকার। না দালাল কায়জার অনেক ব্যক্তির কুকর্মের সাক্ষী যে তাকে না নিলে কায়জার গোপন নথি ফাঁস করে দেবে। নাকি দালাল কায়জারকে সীমান্তে দালালী থেকে হারিয়ে অনেকে ভাগের হাজার হাজার টাকার উৎস হারিয়ে পাগল প্রায় এ প্রশ্ন সচেতন মহলের। দালাল কায়জার আটকের পর সীমান্তে স্বস্থি ফিরে আসে। সে স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকা অনলাইনে দালাল কায়জারের অপকর্ম উঠে আসে। বিজিবিকে ধন্যবাদ ও জানাই সচেতনমহল। কারন এই প্রথম সীমান্তে কায়জারের মত রাঘব বোয়াল খ্যাত দালাল আটকের ঘটনা ঘটেছে। কায়জার চোরাকারবারীসহ বিজিবির নাম ভাঙিয়ে দালালী করতে শুরু করে। দালালীতেও এক সময় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে কায়জার। রাতারাতি বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আদায় করে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় কায়জার। হয়ে উঠে সীমান্তের অপ্রতিরোধ্য দালাল। কায়জারের দালালীর কাছে অসহায় হয়ে পড়ে সীমান্তের লোকজন। ধুর পাচার, অবৈধ পথে আসা ভারতীয় মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, জিরা, স্যান্ডেল, শাড়ীসহ বিভিন্ন মালের বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আদায় করতে থাকে কায়জার। কায়জার দিনে দিনে সীমান্তের গডফাদার হয়ে উঠে। কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না। তবে ঠাকুরপুর বিজিবির ক্যাম্প কমান্ডার জানান দালাল কায়জারের সীমান্তে কোন জায়গা নেই। তিনি আরও জানান ঠাকুরপুর সীমান্তে কোন প্রকার দালালী ও চোরাকারবারী বরদাস্ত করা হবেনা। চোরাকারবারী ও দালালের কোন ঠাঁই নেই সীমান্তে। চোরাকারবারী ও দালালদের চুল পরিমান ছাড় নেই। তবে সচেতনমহল মনে করেন বিজিবি আজকে আইন শৃঙ্খলাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। বিজিবি আজকে জনগণের আস্থার প্রতিক। তবে পীরপুরকুল¬া ও ঠাকুরপুর সীমান্তের সচেতনমহল জানান কায়জারের দালালী বন্ধে প্রয়োজনে কায়জারের বিরুদ্ধে গনস্বাক্ষর করে বিজিবি পরিচালক, সেক্টর কমান্ডারসহ মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করা হবে। তাই কায়জারের মত দালাল যাতে করে ভবিষ্যতে ও আর কোনদিন সীমান্তে দালালী বা চোরাকারবারী না করতে পারে সে বিষয়ে সুনজর দেওয়ার  জন্য বিজিবির সুযোগ্য পরিচালক মহাদয়ের সুদৃষ্টিসহ  জোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।