চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ১৭ জানুয়ারি ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের গাছ কাটার অভিযোগ

ঝিনাইদহ অফিস:
জানুয়ারি ১৭, ২০২২ ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের ছায়া দানকারী ৩টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে কলেজে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের ফুটবল খেলার মাঠের পাশে ছায়া দানকারী ২টি কড়াইগাছ ও ১টি বটগাছ কয়েক বছর আগে রোপণ করা হয়। গাছগুলোর কারণে মাঠে খেলার সময় শিক্ষার্থীরা সেখানে বসে বিশ্রাম নিতো। কিন্তু হঠাৎ করে কোনো প্রকার দরপত্র বা নোটিশ ছাড়াই কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আতোয়ার রহমান ভূঁইয়া ব্যক্তিগত কারণে গতকাল রোববার দুপুরে গাছ দুটো কেটে দেয়। কলেজ হোস্টেলের পাশের আরও ২টি গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা বাঁধা দেয়। এর প্রতিবাদে কলেজে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে গাঁছ কাটা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ক্যাম্পাসের প্রথম ব্যাচের ছাত্ররা মসজিদের সামনে একটি বটগাছ রোপণ করেছিল। খেলার মাঠে রোদের উত্তাপে ছাত্ররা দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে পারতো না, সেই জন্য মাঠের কর্নারে একটি কড়াই গাছ লাগানো হয়েছিল। যা দ্রুত বড় হয়ে ছায়া দেয়। গতকাল দুটি গাছই কেটে ফেলা হয়েছে। বয়েজ হলের দুই পাশে দুটি নিম গাছ, সেই ওষুধি গাছও কাটার জন্য আসলে তখন কলেজের শিক্ষার্থীরাদের বাঁধায় গাছ না কেটে চলে যায়।

ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক লুবান মাহফুজ মিশুক জানান, ক্যাম্পাসে কোনো ছায়াদানকারী গাছ ছিল না। বিগত ৮ বছর আগে প্রথম ব্যাচের ছাত্ররা এই ছায়াদানকারী গাছগুলো রোপণ করে। যাতে করে ছাত্ররা একটু ছায়া ও নির্মল বাতাস পায় এই লক্ষে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো দরপত্র আহ্বান না করেই গাছগুলো কর্তন করে। ক্যাম্পাসের দুইপাশের নিমগাছ কাটতে গেলে সাধারণ ছাত্ররা বাঁধা দেয়, তখন তারা ফিরে যায়। বর্তমানে গাছ কাটা বন্ধ আছে।

অফিস সহকারী মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, অফিসিয়ালভাবে গাছ টাকার জন্য কোনো দরপত্র বা নোটিশ হয়নি। গাছটাকার কোনো টেন্ডার বা নোটিশ হয়েছে কি না, তাঁর জানা নেই।

ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আতোয়ার রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছনতার জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে। দুইশত টাকার গাছের জন্য কোনো টেন্ডার লাগে না। আমার প্রয়োজনীয়তার জন্য গাছগুলো কেটেছি।’

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।