ঝিনাইদহ শৈলকুপায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : পুলিশের রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল জখম ২ : আটক ৫: শহরজুড়ে উত্তেজনা: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

328

Shailkupa-Assoult-Pictureঝিনাইদহ শৈলকুপায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : পুলিশের রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল
জখম ২ : আটক ৫: শহরজুড়ে উত্তেজনা: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা
ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহের শৈলকুপা শহরে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আওয়ামী লীগের কাজী আশরাফুল আজমের সাথে উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নু গ্রুপের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা ও পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম আহত হন। ইটের আঘাতে এএসআই মাহমুদ নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র উদ্ধার ও ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজ বাহার আলী শেখ জানান, শৈলকুপা উপজেলা আ’লীগ নেতা ও পৌর মেয়র কাজী আশরাফুল আজমের সাথে উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নু গ্রুপের সাথে এলাকায় আধিপত্ত নিয়ে বিরোধে চলে আসছিল। এ ঘটনার জের হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে শৈলকুপা শহরের হাজী মার্কেট মোড়ে বসে থাকা মন্নু গ্রুপের দুই নেতা পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম ও পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কালামের উপর আশরাফুল আজম গ্রুপের লোক হামলা করে। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তারা মারাতœক আহত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রুপের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এসময় উভয় গ্রুপের ৫ জন কে আটকসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আহত দু-জনকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে পৌর সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রেজাউল ইসলামের অবস্থা আশংকাজনক হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। রেজাউলের মুখ ও মাথা চরমভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আতাউর রহমান জানান। শৈলকুপায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোন সময় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যেতে পারে।