ঝিনাইদহের লাউদিয়ায় রক্ত ও কাদামাখা দেহ!

317

ঝিনাইদহ অফিস: দ্বিতীয় দফায় আর বাঁচতে পারলেন না শফিকুল ইসলাম (৩৯)। তার আঘাতপ্রাপ্ত অর্ধমৃত দেহ পাওয়া যায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের লাউদিয়া এলাকায়। শরীরে আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন। তবে সেটা সড়ক দুর্ঘটনা জনিত নাকি ধারালো অস্ত্রের আঘাত তা নিশ্চিত হতে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সড়কের উপর পড়ে থাকতে দেখে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন শফিককে। পরে ফরিদপুরে নেওয়ার পথে শনিবার ভোর রাতে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। নিহত শফিক ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান পাড়ার আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার ওরফে পটলা ডাক্তারের ছেলে। মা শাহিদা খাতুন অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে হামদহের বাসা থেকে মেয়ে তানজিলার জন্য ওষুধ কিনতে বের হয় শফিক। এরপর থেকেই ছেলের সন্ধান ছিল না। রাতেই পুলিশ তাদের খবর দেয় শফিক সড়ক দুর্ঘনায় আহত হয়েছেন। শাহিদা খাতুনের ভাষ্যমতে গত ১৮ অক্টোবর দোকান বিক্রি নিয়ে শফিককে মারধর করে। সে সময় তার মাথায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়। হামদহ এলাকার মাতুব্বররা সে সময় তাদের থানা পুলিশ করতে দেয়নি। হামলাকারীকে সালিশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। তারাই দ্বিতীয় দফায় হামলা করে শফিককে খুন করেছে বলে মায়ের দাবী।